• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

চালু হলো 'স্টপ ডেঙ্গু' অ্যাপ

  • প্রকাশিত ০৭:৩১ রাত আগস্ট ১৭, ২০১৯
স্টপ ডেঙ্গু অ্যাপের উদ্বোধন
শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় স্কাউট ভবনে সরকারে পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং আরও চারটি সংস্থার মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্টপ ডেঙ্গু অ্যাপের উদ্বোধন করা হয়।ইউএনবি

'মশার প্রজনন কেন্দ্র ধ্বংসে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ মোবাইল অ্যাপটি সিটি করপোরেশনকে সহায়ত করবে'

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশের যেকোনো স্থানে মশার প্রজনন কেন্দ্র চিহ্নিত করতে ই-ক্যাব, ই-পোস্ট ও বিডি-ইয়ুথের উদ্যোগে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ নামের একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় স্কাউট ভবনে সরকারে পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং আরও চারটি সংস্থার মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এই অ্যাপটির উদ্বোধন করা হয় বলে ইউএনবি'র একটি খবরে বলা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, "মশার প্রজনন কেন্দ্র ধ্বংসে ‘স্টপ ডেঙ্গু’ মোবাইল অ্যাপটি সিটি করপোরেশনকে সহায়ত করবে।"

এসময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করে আতিকুল ইসলাম বলেন, "ডেঙ্গু মোকাবিলায় আমাদের ৩৬৫ দিন সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি ৩৬৫ দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে। আগামী সোমবারের মধ্যে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র সন্ধানের লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি এলাকায় ভাগ করে ডিএনসিসি জুড়ে একটি সমন্বিত অভিযান শুরু করা হবে। এডিশ মশার লার্ভা পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।"

"আমাদের এখন একমাত্র রাজনৈতিক ইচ্ছা হলো দেশকে ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে মুক্ত করা", যোগ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের এলজিআরডিমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, "ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং আমার ধারণা, এটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।"

সরকার ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে তার সম্পূর্ণ সামর্থ্যে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও এসময় জানান তিনি।

এর আগে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস), স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ (এইচএসডি), স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি), এটুআই এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সমঝোতা স্বাক্ষর করে।

এসমঝোতার উদ্দেশ্য হলো সংক্রমিত রোগ প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রযুক্তির সহায়তায় নাগরিক পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করা।