• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৮ রাত

ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে চাঁদাবাজিতে সহযোগিতার অভিযোগে ২ এএসআইকে প্রত্যাহার

  • প্রকাশিত ০৭:০৮ রাত আগস্ট ১৮, ২০১৯
নারায়ণগঞ্জ

ম্যজিস্ট্রেট পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে পুলিশের সোর্স শামীমকে সহযোগিতা করতেন তারা

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে চাঁদাবাজিতে সহযোগিতার অভিযোগে বন্দর থানা পুলিশের দুই উপসহকারী পরিদর্শক (এএসআই) কে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বরখাস্তরা হলেন বন্দর থানা পুলিশের উপ-সহকারী এএসআই আনোয়ার ইসলাম ও এএসআই আমিনুল ইসলাম। রবিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে এই দুইজনকে বন্দর থানা থেকে প্রত্যাহার করে ফতুল্লা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়ে। এদিকে একই ঘটনায় পুলিশের সোর্স শামীমকে (২৪) গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।  

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে বন্দর উপজেলার সাবদী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অস্থায়ীভাবে অনেক দোকানপাট গড়ে উঠে। সেখানে কয়েকদিন ধরে প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটে। এসব দোকানপাট থেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত শামীম প্রতিদিনই টাকা নিত। আর তাকে সহযোগিতা করতেন বন্দর থানা পুলিশের এএসআই আমিনুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন।

শনিবার বিকেলে ‘নান্নু স্টোর' নামের একটি দোকানে নিষিদ্ধ এনার্জি ড্রিংক বিক্রির অভিযোগে শামীম ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে জরিমানা আদায়ের চেষ্টা করে। এসময় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাও তার সাথে উপস্থিত ছিলেন। তবে, ওই দোকানি ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে শামীম তা দেখাতে পারেননি। পরে এলাকাবাসী শামীমকে গণপিটুনী দিয়ে আটকে রাখে।

এদিকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে এএসআই আমিনুল ও আনোয়ার দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শামীমকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা। পরে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে অভিযুক্ত দুই এএসআইকে প্রত্যাহার করা হয়। এছাড়া পুলিশের সোর্স শামীমকে সোমবার দুপুরে এ মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।"

প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত এএসআই আমিনুল ইসলামকে এর আগেও ২০১৮ সালের ২৬ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর বরফকল খেয়াঘাট সংলগ্ন চৌরঙ্গী ফ্যান্টাসি পার্কের সামনে ডিবি পুলিশের সাথে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।