• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৫ সন্ধ্যা

মিন্নিকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চান হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত ০৭:০৯ রাত আগস্ট ২০, ২০১৯
মিন্নি
নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।ছবি: ফাইল ছবি/ফোকাস বাংলা।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব চেয়েছেন আদালত

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব চেয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) মিন্নির জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

পাশাপাশি আদালত মিন্নির জবানবন্দির বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে তাকে ওই ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মামলার যাবতীয় নথিসহ (কেস ডকেট বা সিডি) তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন আদালত।

আদালতে মিন্নির জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জেডআই খান পান্না। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে, গত ৮ আগস্ট মিন্নিকে সরাসরি জামিন না দিয়ে জামিনের বিষয়ে রুল জারি করতে চাইলে আবেদনটি (জামিন) ফেরত নিয়েছিলেন মিন্নির আইনজীবী জেডআই খান পান্না। এরপর গত ১৮ আগস্ট হাইকোর্টের নতুন আরেকটি বেঞ্চে জামিন আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবীরা। ওই আবেদনের শুনানিকালে রিফাত হত্যা মামলায় তার স্ত্রী মিন্নিকে কবে, কখন গ্রেপ্তার করা, আদালতে নেওয়া ও তার জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পুলিশ সুপার কবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, সেসব তথ্য জানতে চাওয়া হলে তা মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) আদালতে দাখিল করেন মিন্নির আইনজীবীরা।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন ১৭ জুলাই মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর কয়েক দফা আবেদন জানালেও নিম্ন আদালত মিন্নিকে জামিন দেননি। পরে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি।