• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩১ রাত

স্বামীকে ফ্যাক্টরিতে বসিয়ে রেখে নৃত্য শিল্পীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

  • প্রকাশিত ০৯:২৩ রাত আগস্ট ২০, ২০১৯
নারায়ণগঞ্জ
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার তিন যুবক। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

প্রোগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার জন্য নৃত্য শিল্পীর স্বামী ও অন্যান্যদের কনকর্ড ফ্যাক্টরিতে বসিয়ে রেখে হিমেলের বাড়িতে ড্রেস পরিবর্তনের কথা বলে নৃত্য শিল্পী ও তার সহযোগী শিল্পী মামুনকে কাঁশবনের ভেতরে নিয়ে যান

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সনমান্দি ইউনিয়নের দড়িকান্দি এলাকায় এক নৃত্য শিল্পীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ রাতেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সোনারগাঁয়ের সুচারগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল্লাহর ছেলে মাহমুদুল হাসান হিমেল, কালিগঞ্জ গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে শফিকুর ইসলাম রনি, ইলিয়াসদী গ্রামের হাসান আলীর ছেলে সজিব। 

মামলায় অভিযুক্ত অপর দু’জন শাহজাহান মিয়ার ছেলে সানজিদ ও বন্দর উপজেলার পিছকামতাল গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে সিয়ামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী পেশায় একজন নৃত্য শিল্পী। তার একটি নাচের দল রয়েছে। অর্থের বিনিময়ে বিয়ে, সুন্নতে খাতনা, গায়ে হলুদসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ করে থাকেন। সোমবারও একটি কোম্পানির স্টেজ প্রোগ্রামে ভুক্তভোগী ওই শিল্পী স্বামীসহ তার নাচের দল নিয়ে আসেন।  পরে মাহমুদুল হাসান হিমেল প্রোগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার জন্য নৃত্য শিল্পীর স্বামী ও অন্যান্যদের কনকর্ড ফ্যাক্টরিতে বসিয়ে রেখে হিমেলের বাড়িতে ড্রেস পরিবর্তনের কথা বলে নৃত্য শিল্পী ও তার সহযোগী (পুরুষ) শিল্পীকে কাঁশবনের ভেতরে নিয়ে যান।

এ সময় কাঁশবনের ভেতরে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শফিকুর ইসলাম রনি, সজিব, সানজিদ, সিয়াম সহযোগী শিল্পীকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে আটক করে নৃত্য শিল্পীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে সহযোগী শিল্পীর সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে ফিরে ভুক্তভোগী তার স্বামীকে বিস্তারিত জানান। পরে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে রাতেই ভুক্তভোগী সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় রাতেই তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”