• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪১ দুপুর

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি ২ রোহিঙ্গা 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

  • প্রকাশিত ০১:২৮ দুপুর আগস্ট ২৪, ২০১৯
রোহিঙ্গা ক্যাম্প
টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্প। সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন

২২ আগস্ট রাতে টেকনাফের জাদিমুরা এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে (৩০) তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে কয়েকজন রোহিঙ্গা।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামি দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। 

শনিবার (২৪ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার জাদিমুরা পাহাড়ের পাদদেশে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় দুটি এলজি বন্দুক, নয়টি গুলি, ১২টি গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডু উপজেলার রাসিদং এলাকার বাসিন্দা ছব্বির আহমদের ছেলে মোহাম্মদ শাহ ও একই উপজেলার শীলখালী এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে আবদু শুক্কুর (২৮)। দুজনই মিয়ানমার থেকে পালিয়ে টেকনাফের জাদিমুরা শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করছিলেন। 

এদিকে এঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন- উপপরিদর্শক (এসআই) মনসুর (৩৫), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জামাল (৩০) ও কনস্টেবল লিটন (৩২)।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গত ২২ আগস্ট টেকনাফের হ্নীলার যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যায় জড়িত রোহিঙ্গারা জামিমুরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে তারা গুলি করে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি করে। 

ওসি আরও জানান, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

গত ২২ আগস্ট রাতে টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরা এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে (৩০) তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে কয়েকজন রোহিঙ্গা। খবর পেয়ে নিহত ফারুকের ভাই আমির হামজা ও উসমানসহ স্বজনেরা সেখানে গেলে দুর্বৃত্তরা তার মরদেহ আনতেও বাধা দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ওমর ফারুকের লাশ উদ্ধার করে। 

এঘটনায় শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে হত্যার প্রতিকার চেয়ে বিক্ষোভ করে স্বজন ও স্থানীয়রা। এসময় বিক্ষোভকারীরা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের জাদিমুরা বাজারে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং যানচলাচল বন্ধ করে দেয়। পরে টেকনাফ থানা পুলিশ এসে হত্যাকারিদের বিচারের আওতায় আনার আশ্বাসে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।