• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ দুপুর

যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় আরেক রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

  • প্রকাশিত ১১:৩৯ সকাল আগস্ট ২৬, ২০১৯
বন্দুকযুদ্ধ
প্রতীকী ছবি

'বন্দুকযুদ্ধে' ৩ পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আরও এক আসামি নিহত হয়েছেন। 

সোমবার (২৬ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরা এলাকায় এঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

বন্দুকযুদ্ধে নিহত রোহিঙ্গা যুবকের নাম মোহাম্মদ হাসান (২৮)। তিনি টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ই-ব্লকে পরিবারের সাথে থাকতেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামিসহ একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী উপজেলার জাদিমুরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি জানতে পেরে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি মোহাম্মদ হাসান গুলিবিদ্ধ হন। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই রোহিঙ্গা যুবককে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, ৫টি তাজা কার্তুজ ও ৮টি খোসা উদ্ধার করে।

এদিকে বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) তিন সদস্য আহত হয়েছেন। আহত তিন পুলিশ সদস্য হলেন- এসআই সাব্বির আহমদ (৩০), কনস্টেবল লিটন (২১) ও কনস্টেবল বাহার (২৮)।

টেকনাফ থানার ওসি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "ময়না তদন্তের জন্য নিহতের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও বন্দুকযুদ্ধে আমাদের ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তবে, তারা সবাই শঙ্কামুক্ত।"

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরা এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে ফিল্মি স্টাইলে হ্নীলা ইউনিয়নের ৯নং যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে তুলে নিয়ে গিয়ে পাহাড়ে গুলি করে হত্যা করে একদল উশৃংখল রোহিঙ্গা। খবর পেয়ে নিহত ফারুকের ভাই আমির হামজা ও উসমানসহ স্বজনেরা সেখানে গেলে সন্ত্রাসীরা তার মরদেহ আনতেও বাধা দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ওমর ফারুকের লাশ উদ্ধার করে।