• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে সেনাসদস্য গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত ০৮:৪১ রাত সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯
গোপালগঞ্জ
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছেন্টু মুন্সী। ঢাকা ট্রিবিউন

সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে তার শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর মা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাকিব হোসেন ওরফে সেন্টু মিয়া নামে অবসর ছুটিতে আসা এক সেনাসদস্যকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। 

রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানায় দায়ের করা ভিকটিমের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই দিন রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত রাকিব হোসেন ওরফে সেন্টু মিয়া চার সন্তানের জনক এবং তার  বাবার নাম মজিদ মুন্সী। 

মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মামুন বিশ্বাস জানান, মুকসুদপুর উপজেলায় অবসর ছুটিতে (এলপিআর) আসা বেঙ্গল রেজিমেন্টর সেনাসদস্য রাকিব হোসেন ওরফে সেন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে ২১ বছর বয়সী শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই প্রতিবন্ধীর মা। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ আগস্ট দুপুরে সদ্য অবসরে আসা সেনা সদস্য রাকিব হোসেন সেন্টু প্রতিবন্ধী তরুণীকে একটি পেয়ারা দিয়ে তাদের গোয়ালঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ৩১ আগস্ট রাতে ওই প্রতিবন্ধীতার মায়ের কাছে ধর্ষণের বিবরণ দেয়। পরের দিন ১ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে প্রতিবন্ধীর মা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে আমলে নিয়ে ওই দিন রাতে অভিযান চালিয়ে রাকিব হোসেন সেন্টুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর মা জানান, তার মেয়ের বয়স ২১ হলেও সে ছোটবেলা থেকে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। ঘটনাটি ঘটার দুইদিন পরে সে জানায় রাকিব হোসেন সেন্টু তাকে পেয়ারা দিয়ে গোয়ালঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছে। পরে ঘটনাটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানালে তারা থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। এরপরই তিনি থানায় এসে মামলা করেন। এসময় তিনি অভিযোগ করেন, ধর্ষকদের জমির পাশ দিয়ে যাতায়াত করলে তারা মারতে আসতো ও গালিগালাজ করত। 

এদিকে পুলিশের হেফাজতে থাকা অভিযুক্ত রাকিব হোসেন সেন্টু জানান, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। মামলার অভিযোগকারীরা আমার জমি নষ্ট করে যাতায়াত করায় বাধা দিলে তারা আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এ ধর্ষণের মতো অপরাধের সঙ্গে আমি জড়িত না। আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে।” 

গ্রেপ্তাতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মশিউর বলেন, “এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্ততারের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমকে নিরীক্ষার জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”