• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

আট বছরের শিশুর ‘আত্মহত্যা’!

  • প্রকাশিত ০৩:২৩ বিকেল সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৯
ঝুলন্ত লাশ
প্রতীকী ছবি

পঞ্চগড় থানার ওসি বলেন, ‘পরিবারের দাবি শিশুটি আত্মহত্যা করেছে, তবে বয়স খুবই কম হওয়ায় অনেকের কাছে বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে’

পঞ্চগড় সদর উপজেলায়  আরিফা আক্তার (৮) নামের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার জালাসী এলাকায় নিজ ঘর থেকে ওই শিশুর ওড়নায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত আরিফা পঞ্চগড় পৌরসভার জালাসী হঠাৎপাড়া এলাকার রাজমিস্ত্রি আমিনুল ইসলামের তৃতীয় মেয়ে। সে জালাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। 

আরিফার পরিবার জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর সন্তানদের বাড়িতে রেখে হাসপাতালে এক স্বজনকে দেখতে যান তার মা সেলিনা আক্তার। এসময় শিশুটির বাবা আমিনুল ইসলামও বাইরে ছিলেন। সেলিনা বাড়ি ফিরে দেখতে পান তার স্বামীর ঘরের ভেতর থেকে দরজা লাগানো। বার বার দরজায় ধাক্কা দিয়ে কোনো সাড়া পাননি তিনি। পরে পাশের জানালা দিয়ে দেখতে পান খাটের স্ট্যান্ডের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে আরিফা। 

পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে আরিফাকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এরপর বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। 

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে কতর্ব্যরত চিকিৎসক ডা. হারুন অর রশিদ জানান, “হাসপাতালে নিয়ে আসার অনেক আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব নয়।” 

পঞ্চগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আক্কাস আহমদ জানান, “ওই পরিবারের দাবি শিশুটি আত্মহত্যা করেছে। ছোট্ট শিশু হওয়ায় অনেকের কাছে বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাই শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের পর তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এবিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।”