• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

‘আগুনে নির্বাচন ভবনে ক্ষতির পরিমাণ নগণ্য’

  • প্রকাশিত ০৫:১৩ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯
নির্বাচন কমিশন
রবিবার দিবাগত রাত ১১টার পর নির্বাচন কমিশন ভবনে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

‘ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য এবং টিমওয়ার্কের জন্য বড় ক্ষতির হাত থেকে আমরা বেঁচে গেছি’

নির্বাচন ভবনে অগ্নিকাণ্ডে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “ইভিএমের ব্যালট ইউনিট, মনিটর, কন্ট্রোল ইউনিট নিয়ে যে আশঙ্কা করেছিলাম, সে তুলনায় কোনও ক্ষতিই হয়নি। ক্ষতির পরিমাণ খুবই নগণ্য।”

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবন চত্বরে আগুন লাগার স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাংলা ট্রিবিউনের।

জেনারেল সাইদুল ইসলাম বলেন, “আগুনে ইভিএমের ব্যালট ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। যেটুকু ক্ষতি হয়েছে সেটুকু পানি দিয়ে নেভানোর কারণে, পানি যেহেতু স্প্রে করা হয়েছে, এ কারণে অতিরিক্ত পানিগুলো যাতে ব্যালট ইউনিটে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেই জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা কমিটি এখন সুপারিশগুলো কমিশনকে অবহিত করবো এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। যাতে আমাদের জাতীয় সম্পদগুলো নষ্ট না হয়।”

তিনি বলেন, “পয়েন্ট অব ফায়ার যেটা দেখলাম মেইনলি ক্যাবলের দিকে ফায়ারটা ছড়িয়েছে। যার জন্য উপরের ক্যাবলগুলো পুড়ে গেছে। যে এসিগুলো ছিল সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্যাবলের বক্সগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য এবং টিমওয়ার্কের জন্য বড় ক্ষতির হাত থেকে আমরা বেঁচে গেছি।”

রংপুরে ইভিএম ব্যবহারে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তদন্তের পর আমরা দেখবো। এনআইডি উইংয়ের পক্ষ থেকে আমরা বলবো সেখানে ইভিএম ব্যবহার করার চেষ্টা করবো। আমরা সেই ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। বাকিটা তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহ করে কমিশনে উপস্থাপন করবো। কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।”

সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কোনও কাগজপত্র ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সেখানে কোনো কাগজপত্র ছিল না। যেখানে আগুন লেগেছে এবং তার পাশে যে রেডিয়াসটা প্লাস ক্যাবল পুড়েছে এবং পাশে এসিগুলো যে পুড়েছে এর পাশের এলাকা দেখলেই আপনারা বুঝতে পারতেন কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট পোড়ার তেমন কোনো কোয়েশ্চেন নাই। দুই মিটারের মধ্যে আমরা খুলে দেখেছি কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট পুড়ে নাই।”

যেখানে আগুন লেগেছে সেখানে এক হাজারের মতো ইভিএম ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এত হবে না। আমরা আপনাদেরকে সঠিক তথ্য দেবো।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ওখানে যেহেতু কেউ বসবাস করে না, সেখানে কোনও হিটার নেই, কাজেই আগুন লাগার পেছনে বিদ্যুৎ ছাড়া অন্যকিছুর কারণ তো দেখছি না।