• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৭ সকাল

এ কেমন নির্মমতা!

  • প্রকাশিত ০৪:৪৮ বিকেল সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯
পাখি
শিকারিদের নির্মমতার শিকার হয়ে প্রাণ হারায় ৮৬টি পাখি। ঢাকা ট্রিবিউন

মৃত টিয়াগুলোকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়

শিকার নিষিদ্ধ বন্যপাখি ধরা ও তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করার অপরাধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চারজনকে জেল-জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার(১০ সেপ্টম্বর) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদলতের বিচারক ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলমগীর হোসেন এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার নালিতাবাড়ি এলাকার আব্দুল আলীমের ছেলে আজিজুল হক (৩৫), একই জেলার দুপচাচিয়া উপজেলার পৌতা এলাকার সাখওয়াত হোসেনের ছেলে রাজু (২৬) এবং পাখি শিকারের কাজে সহযোগিতাকারী পিকআপ ভ্যান চালক বাসেদ ও ইনফরমার তানভীর আহম্মেদ।

পাখি শিকারের অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত আজিজুল হক (বাঁয়ে) ও রাজু। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলমগীর হোসেন দুপুরে গণমাধ্যমকে বলেন, “বন্যপ্রাণী পাচার করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (৯ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও বন্যপ্রাণী অধিদপ্তরের সদস্যরা সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের শিবিরের হাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় হাতেনাতে কয়েকটি খাঁচায় বন্দি অবস্থায় ৪৫৭টি টিয়া পাখিসহ চারজনকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের দুইজনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অপর দুইজনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া উদ্ধারকৃত ৪৫৭টি টিয়া পাখির মধ্যে ৩৭১টি পাখি অবমুক্ত করা হয়। অন্যদিকে বিরূপ পরিবেশে খাঁচায় বন্দী থাকায় বাকি ৮৬টি পাখি মারা যায়। পরে মৃত টিয়াগুলোকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়।”

আলমগীর হোসেন আরো জানান, “প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় আমরা সোচ্চার আছি। আগামীতে কেউ যাতে এ ধরনের কার্যক্রম করতে না পারে সে জন্য সচেতনতাসহ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”