• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪০ সন্ধ্যা

পঞ্চগড়ে পৃথক ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২

  • প্রকাশিত ০৫:১৯ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯
গ্রেফতার/আটক
প্রতীকী ছবি।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) পঞ্চগড়ে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পঞ্চাশোর্ধ এক বৃদ্ধ এবং ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

পঞ্চগড়ে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পঞ্চাশোর্ধ এক বৃদ্ধ ও ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) এ দুই পৃথক ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের কাছে মামলা করেছে দুই ভুক্তভোগীর পরিবার।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে-পঞ্চগড় জেলা শহরের পশ্চিম মোলানি এলাকার আশরাফ আলী (৫৮) ও ঠাকুরগাঁও জেলার রানী শংকৈল উপজেলার মহল বাড়ি এলাকার বাসিন্দা জগদীশ চন্দ্র রায় (৩০)।ধর্ষণের শিকার দুইজনের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার জগদীশ, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এসময় সে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণের প্রতিশ্রুতিও দেয়। সম্প্রতি ওই কিশোরী জগদীশকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে অস্বীকৃতি জানায়। পরে কিছুদিন আগে ওই কিশোরী তার সাথে দৈহিক সম্পর্কে রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে জগদীশ। বিষয়টি ওই কিশোরী তার পরিবারকে জানালে গত ৯ সেপ্টেম্বর স্থানীয়রা জগদীশকে আটক করে। প্রথমে বিষয়টি স্থানীয় প্রভাবশালীরা সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন। সমঝোতা না হওয়ায় পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় জগদীশকে। এঘটনায় ওই কিশোরীর বড়ভাই মঙ্গলবার পঞ্চগড় থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ ওইদিনই জগদিশকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করে। 

অপরদিকে, পঞ্চগড় জেলা শহরের পশ্চিম মোলানি এলাকার আশরাফ আলী (৫৮) সাত বছর বয়সী শিশুটিকে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করতো। মঙ্গলবার দুপুরে আশরাফ শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় শিশুটি চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় প্রতিবেশীরা আশরাফকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এরপর ওই রাতেই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পঞ্চগড় থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আশরাফকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। 

পঞ্চগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আক্কাছ আহমদ জানান, “ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক পৃথক মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।”