• মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৯ রাত

পাবনায় ধর্ষকের সঙ্গে থানায় বিয়ে: ওসি প্রত্যাহার, এসআই বরখাস্ত

  • প্রকাশিত ০১:৪৪ দুপুর সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯
পাবনা গণধর্ষণ
ধর্ষণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হককে প্রত্যাহার করা হয় ঢাকা ট্রিবিউন

এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনিয়ে গণধর্ষণের মামলায় মোট ৪জন গ্রেফতার হয়েছে

পাবনায় চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলায় সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহার,এসআই কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা পুলিশ। এছাড়া, এই মামলায় পুলিশ আরও ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জাকির হোসেন ড্রাইভার (৩৫) ও সঞ্জু মোল্লা (২২)।

জেলা পুলিশ সুপার-এসপি শেখ রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার টেবুনিয়া এলাকা থেকে ইসলামগাঁতি গ্রামের আব্দুস সামাদ সরদারের ছেলে জাকির হোসেন ড্রাইভার ও ফলিয়া গ্রামের কালাম মোল্লার ছেলে সঞ্জুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হককে প্রত্যাহার ও উপপরিদর্শক (এসআই) একরামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনিয়ে গণধর্ষণের মামলায় মোট ৪জন গ্রেফতার হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত সোমবার ও বুধবারে এই গণধর্ষণের মামলায় রাসেল ও শরিফুল ইসলাম ঘন্টুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।


আরও পড়ুন: পাবনায় গণধর্ষণের মামলার আসামি গ্রেপ্তার


মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে আসামিরা জনৈক গৃহবধূকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। একসময় নির্যাতিতা পালিয়ে সদর থানায় আশ্রয় নেন এবং অভিযোগ করেন। কিন্তু তার অভিযোগ আমলে না নিয়ে পুলিশ ধর্ষক রাসেলের সাথে তাকে বিয়ে দেন। ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হওয়ায় জেলা পুলিশের নির্দেশে ৯ সেপ্টেম্বর তারিখে বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন নির্যাতিতা। পরে পুলিশের ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।


আরও পড়ুন: ‘গণধর্ষণের শিকার হওয়ায়’ তালাক, অভিযুক্তের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে বিপাকে ওসি