• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ

  • প্রকাশিত ০৯:৪৬ রাত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯
প্রতীক বরাদ্দ
নির্বাচন কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ নিচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান। ঢাকা ট্রিবিউন

প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন প্রার্থীরা

রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার জিএম শাহাতাব উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন।

মঙ্গলবার সকালে বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান নিজেই নির্বাচন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ নেন। প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, "নির্বাচন কতোখানি সুষ্ঠু হবে সে বিষয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ইভিএম ব্যবহার করা হবে শুনছি। ইভিএমে ফলাফল উল্টে দেওয়া যায়। তবে, যেহেতু এই নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হবে না, তাই আশা করছি অন্তত এই নির্বাচনটি সুষ্ঠু হবে।"

রিটা রহমান বাদে প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন গণফ্রন্টের প্রার্থী কাজী মোঃ শহিদুল্লাহ, খেলাফত মজলিস প্রার্থী তৌহিদুর রহমান মন্ডল ও এনএনপি প্রার্থী শফিউল আলম। এছাড়াও জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহারিয়ার আসিফ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মটর গাড়ি (কার) প্রতীক বরাদ্দ নেন। তবে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাদ এরশাদ নিজে  কিংবা তার দলের কোন নেতা কর্মী প্রতীক বরাদ্দের সময় উপস্থিত ছিলেননা। রিটার্নিং অফিসার শাদ এরশাদকে তাদের দলীয় প্রতীক লাঙ্গল বরাদ্দ দেন।

প্রতীক বরাদ্দের সময় রিটার্নিং অফিসার প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহবান জানান। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে প্রতীক বরাদ্দ পাবার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন প্রার্থী ও সমর্থকেরা। তবে, প্রথম দিনে প্রচারণার মাঠে দেখা যায়নি জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাদ এরশাদ।