• রবিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৭ রাত

রাজশাহীতে মা-ছেলে হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি

  • প্রকাশিত ০১:০৮ দুপুর সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯
আদালত
প্রতীকী ছবি

২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে আকলিমা বেগম ও তার ছেলেকে গলাকেটে হত্যা করা হয়।

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার দেউলা গ্রামের আকলিমা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে জাহিদ হাসানকে (২৫) গলাকেটে হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

রায়ে তিনজনের ফাঁসি ও চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত চার আসামির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এরায় ঘোষণা করেন। 

রায় ঘোষণাকালে মামলার সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে তাদের রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়।

রায়ে ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-আবুল হোসেন (৫২), হাবিবুর রহমান হাবিব (৪০) ও আবদুর রাজ্জাক (৩৫)। 

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-আব্দুল্লাহ আল কাফি (২২),  রুহুল আমিন (৩০), রুস্তম আলী (২৬) ও মনিরুল ইসলাম ওরফে মনির (২৩)। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০১৯ সালের এপ্রিলেই মামলাটি জেলা জজ আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলাটিতে ৫১ জন সাক্ষী ছিলেন। আদালত ৪৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। 

জানা গেছে, বাগমারার দেউলা গ্রামে নিজ বাড়িতে ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে আকলিমা বেগম ও তার ছেলেকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। এঘটনায় আকলিমার বড় ছেলে দুলাল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় নানা মোড় নেয় এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের তদন্ত। তিন দফা বদল করা হয় তদন্ত কর্মকর্তা। সর্বশেষ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটির তদন্ত করে। এরপর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য বেরিয়ে আসে। পরে ২০১৮ সালের ৩১ মে আদালতে পিবিআইয়ের পরিদর্শক আলমগীর হোসেন মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে সাতজনকে অভিযুক্ত করা হয়।