• বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:২৭ রাত

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি

  • প্রকাশিত ০৫:৩৬ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
বশেমুরবিপ্রবি- আন্দোলন
উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা ট্রিবিউন

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিনকে ‘বিএনপির সমর্থক’ বলে দাবি করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। 

এসময় উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিনকে ‘বিএনপির সমর্থক’ দাবি করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমান উপাচার্যের মেয়াদে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরাও জামায়াত-বিএনপির লোক। বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াত-বিএনপির সমর্থক কোনো উপাচার্যকে থাকতে দেয়া হবে না। তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষোণাও দিয়েছেন তারা। 

এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফাতেমা-তুজ-জিনিয়া ডেইলি সান পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রতিনিধি।  তাকে বহিষ্কার করায় বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা আন্দোলন শুরু করেন। দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলনের মুখে বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এদিকে এইসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বুধবার রাত ১২ টার দিকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং ১৪ দফা দাবি পেশ করেন।

পরে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ১৪ দফা  দাবি মেনে নিয়ে অফিস আদেশ জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এপ্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক ড.নূর উদ্দিন আহমদ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বুধবার রাতে  ১৪ দফা দাবি করে । তাদের সব দাবি  আমরা  মেনে নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। তারপরও বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চলছে। তারা ঠিক কি কারণে আন্দোলন করছে, তা আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে তারা আমাদের কাছে লিখিত কোন কিছু জানায়নি। তাদের লিখিত আবেদন পাওয়ার পর আন্দোলনের সঠিক কারণ যানা যাবে।"