• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৭ রাত

ভিসির পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের অনশন

  • প্রকাশিত ০৬:৪৪ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
গোপালগঞ্জ
উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ঢাকা ট্রিবিউন

‘বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী যাতে বাড়ি চলে যায় সে জন্য গোপালগঞ্জের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বাস সার্ভিস ফ্রি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ’

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে আন্দোলন শুরুর পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে তারা এই অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।

অনশনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা প্রদর্শন করে ও বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৪টি বিষয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আন্দোলন বন্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের দাবি এক দফা, ‘ভিসির পদত্যাগ’।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ফারজানা আফরিন বলেন, “বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী যাতে বাড়ি চলে যায় সেজন্য গোপালগঞ্জের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বাস সার্ভিস ফ্রি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া শিক্ষকরা আন্দোলনকারীদের বাড়ি চলে যেতে চাপ প্রয়োগ করছে।”

একজন শিক্ষার্থীর বহিষ্কার ও ফোনালাপ ফাঁসের পর আন্দোলনের সূচনা হয়। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন 

এদিকে শিক্ষার্থীদের সকল ‘ন্যায্য দাবির সাথে সংহতি’ প্রকাশ করে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক সমাজ’ এর ব্যানারে একদল শিক্ষক তাদের অবস্থান ব্যক্ত করে ১৬টি দাবি তুলে ধরেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্ষেত্রে বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা, স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফর্মের দাম কমানো, বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে মেধা যাচাই করা ইত্যাদি।

আন্দোলনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিন বলেন, “সরকারবিরোধী একটি চক্র ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে।”

উল্লেখ্য, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী’, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়ার সূত্রধরে আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও দ্য ডেইলি সানের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে গত ১১ সেপ্টেম্বর সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে উপাচার্যের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনে নামের শিক্ষার্থীরা।