• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

গণধর্ষণে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের এএসআই প্রত্যাহার

  • প্রকাশিত ০৯:০৩ রাত সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯
গণধর্ষণ
প্রতীকী ছবি।

গণধর্ষণের ঘটনায় আরও ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ

ফেনীর সোনাগাজীতে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোনাগাজী থানার উপপরিদর্শক সুজন চন্দ্র দাসকে (এএসআই) কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে প্রত্যাহার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ফেনীর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সাইফুল আহমেদ ভূঁইয়া।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে থানায় মামলা করতে আসেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ। থানায় পৌঁছানোর আগেই রহিমা নামের এক নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়েন তিনি। তাকে ফুসলিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান ওই প্রতারক। পরে সেখানেই রাতে পুলিশের লোক পরিচয় দিয়ে ৫ জন মিলে তাকে গণধর্ষণ করেন। এই ৫ জনের মধ্যে অভিযুক্ত এএসআইও ছিলেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী। এসময় প্রতারক রহিমা এবং দুর্বৃত্তরা তার সাথে থাকা মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় হয়ে মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতা নারী। মামলার প্রেক্ষিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি সঞ্জু শিকদার ও প্রতারক রহিমাকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ। পরে শুক্রবার রাতে সঞ্জু শিকদারের সহযোগী কাউসার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।    

সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন আহমেদ মামলা প্রসঙ্গে ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া হোসেনের আদালতে ভিকটিম ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন। সেখানে তিনি অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাও তাকে ধর্ষণ করেছেন বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও আটক কায়সার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।"