• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

বই না নিয়ে যাওয়ায় কলেজছাত্রীকে মেরে অচেতন করার অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৮:৫৯ রাত সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ
নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীকে মারধর করে অচেতন করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঢাকা ট্রিবিউন

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক

নারায়ণগঞ্জে কলেজশিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাসে বই না নিয়ে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে মারধর করে অচেতন করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে এঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ছাত্রী তন্বী আক্তারকে ৩শ' শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ওই কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ছোলাইমান খন্দকার।  

এবিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা আতাউর রহমান জানান, "তন্বী ক্লাসে বই নিয়ে যায়নি বলে শিক্ষক রেগে গিয়ে তাকে মারধর করেন। এই মারধরের কারণেই পরে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।"

তবে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক মো. ছোলাইমান খন্দকার। তিনি বলেন, "আমি ক্লাসে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে কিছু শিক্ষার্থী ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাদের আটকে দেই। তাদের কাছে মোবাইল ফোন খুঁজে পাই। কলেজের নিয়ম অনুযায়ী যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেই শিক্ষার্থীর কাছে ক্লাসের বইও ছিল না। তখন আমি তার ফোন জব্দ করি। এসময় মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।"

ওই শিক্ষার্থীর অচেতন হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "একজন শিক্ষার্থী অচেতন হয়েছে শুনেছি। তবে তখন আমি অন্য একটি ক্লাসে ছিলাম। তাই এই সম্পর্কে বেশি কিছু জানি না।"

ভুক্তভোগীর এক সহপাঠী নাম না প্রকাশ করার শর্তে এই প্রতিবেদককে জানান, এবিষয়ে কাউকে কিছু বললে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কলেজে অধ্যক্ষ বেদৌরা বিনতে হাবিব জানান, "আমরা জানা মতে কলেজে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। শুনেছি ক্লাস করার সময় একটি মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলো। পরবর্তীতে তাকে চিকিৎসা দিয়ে অভিভাবকের কাছে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। সেহেতু আমি বলতে পারবো না আসলে কি হয়েছে। আগামীকাল আমরা সবাই বসবো এবং ক্লাসরুমে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।"