• সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৮ দুপুর

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: বৃষ্টি উপেক্ষা করে আন্দোলন অব্যাহত

  • প্রকাশিত ১১:১৭ সকাল সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
আন্দোলন
রবিবার বিকেল খেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১৬ ঘন্টা বৃষ্টিতে ভিজে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে খোলা জায়গাতেই আমরণ অনশন অব্যাহত রাখেন। ঢাকা ট্রিবিউন

রবিবার বিকেল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১৬ ঘণ্টা বৃষ্টিতে ভিজে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে খোলা জায়গাতেই আমরণ অনশন অব্যাহত রাখেন 

মুষলধারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপাচার্যের (ভিসি) পদত্যাগের দাবিতে  আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত প্রায় ১৬ ঘণ্টা বৃষ্টিতে ভিজে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে খোলা জায়গাতেই আমরণ অনশন অব্যাহত রেখেছেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আইন বিভাগের ছাত্র সোহাগ হোসেন বলেন "যত প্রতিকূলতাই  আসুক না কেন ভিসির পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবো না। এ কষ্ট আমাদের কষ্ট মনে হচ্ছে না।"

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীর জানান, "আমাদের গায়ে হাত পড়েছে। আমাদের ২০ সহপাঠী আহত হয়েছে। বোনদের ওপরও হাত দেয়া হয়েছে। হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তারা বিলে ঝাঁপিয়ে আত্নরক্ষা করেছেন। সেই কষ্টের কাছে এই বৃষ্টি কিছুই না। কোন কিছুই আমাদের আন্দোলন দমাতে পারবে না।"


আরও পড়ুন : গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন ভিসি স্বয়ং


এদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টর পদ থেকে অব্যাহতি নেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হুমায়ুন কবির। এছাড়াও উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য জাপান ভ্রমণ বাতিল করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন গণিত বিভাগের শিক্ষক মিনারুল হক। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সমর্থন করে সংহতি প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগসহ স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।


আরও পড়ুন : শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির নিন্দা


উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও দ্য ডেইলি সানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর প্রতিবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের মুখে বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। গত শনিবার দুপুরে আন্দোলনে যোগ দিতে আসা শিক্ষার্থীদের ওপর পাঁচ স্থানে হামলার ঘটনা ঘটে।