• বুধবার, ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০৮ রাত

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে জাবি উপাচার্যের ভাগ্যে?

  • প্রকাশিত ০৪:০৯ বিকেল সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
ড. ফারজানা ইসলাম
জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। ঢাকা ট্রিবিউন

বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘোষণাও দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা ১৮ জন উপাচার্যের মধ্যে পাঁচজনকে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে হয়েছিল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ১হাজার ৪৪৫কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প ঘিরে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা এখন উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির আন্দোলনে গড়াচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগে স্বেচ্ছা পদত্যাগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন ভবনে করেছেন অবাঞ্ছিত ঘোষণা। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘোষণাও দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা ১৮ জন উপাচার্যের মধ্যে পাঁচজনকে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। 

১৯৯৩ সালে শিক্ষকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার জেরে আন্দোলনে পদত্যাগ করেন তৎকালীন উপাচার্য কাজী সালেহ আহমেদ। ১৯৯৮ সালে  ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে আলাউদ্দিন আহমেদকে সরিয়ে দেয় সরকার। ২০০১ সালে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে আবদুল বায়েসও অপসারিত হন। ২০১২ সালে জুবায়ের হত্যার পর আন্দোলনে পদত্যাগ করেন শরীফ এনামুল কবির। সর্বশেষ টানা নয় মাস আন্দোলনের মুখে ২০১৪ সালে পদত্যাগে বাধ্য হন অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন।

সেই পুনরাবৃত্তিই কি ঘটতে যাচ্ছে অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের ভাগ্যে? 


আরও পড়ুন: দিনভর অবরোধে স্থবির জাবি, উপাচার্যের পক্ষে-বিপক্ষে সিনেট সদস্যরা 


আন্দোলনের পূর্বাপর:

২৩ অক্টোবর, ২০১৮: ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায়  ১,৪৪৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। 

মে, ২০১৯: প্রকল্পের প্রথম ধাপে ছাত্র-ছাত্রীদের তিনটি করে মোট ছয়টি দশতলা বিশিষ্ট আবাসিক হল নির্মাণের জন্য ১ মে টেন্ডার আহ্বান করা হয়, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার ছিনতাই ও টেন্ডার জমাদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। 

জুন, ২০১৯: ৩০ জুন পাঁচটি হলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। 

জুলাই, ২০১৯: হল নির্মাণের নির্ধারিত স্থানগুলোতে প্রায় সাড়ে ১১শ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলার জন্য লাল রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। এসব গাছের মধ্যে বট, একাশীয়া, শালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদগাছ রয়েছে। এবিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। প্রকল্প বাস্তবায়নে ‘অপরিকল্পনার’ অভিযোগ তোলেন তারা। 

০৮ জুলাই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের শিক্ষার্থীরা অপরিকল্পিতভাবে হল নির্মাণের প্রতিবাদে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেন। একইদিনে বিক্ষোভ মিছিল ও সাত দফা দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেয় ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যমঞ্চ’। 

১৭ জুলাই সিনেট হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান উপস্থাপন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঐক্যমঞ্চের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তিনমাস প্রকল্পের কাজ বন্ধ রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে মাস্টারপ্ল্যান পুনর্বিন্যাস করার দাবি জানান। কিন্তু মাস্টারপ্ল্যান পুনর্বিন্যাসের সুযোগ নেই জানিয়ে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন উপাচার্য।

আগস্ট, ২০১৯: ৩ আগস্ট টারজান পয়েন্টে গাছকাটা শুরু হয়। ২৩ আগস্ট সকালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের পাশে গাছ কাটা শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বাধায় গাছ কাটা বন্ধ হয়। সেদিন বিকেলে কাটা গাছের গুঁড়িতে কাফন পেঁচিয়ে বিক্ষোভ দেখান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 


আরও পড়ুন: জাবিতে গাছের গুঁড়িতে কাফনের কাপড় পরিয়ে প্রতিবাদ


ওইদিনই একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ঈদের ছুটির মধ্যে ৯ আগস্ট উপাচার্য শাখা ছাত্রলীগের তিনটিপক্ষ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে দুই কোটি টাকা বাটোয়ারা করে দিয়েছেন। পরে আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ভাগ-বাটোয়ারার খবর প্রকাশিত হলে আন্দোলন বেগবান হয়। উপাচার্য, প্রশাসনপন্থী শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগ তখন থেকে টাকা বাটোয়ার অভিযোগ অস্বীকার করতে শুরু করেন। 

২৫ আগস্ট থেকে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়। বামপন্থী, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের একাংশ এই প্ল্যাটফর্মে একত্রিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে নামেন। 

সেপ্টেম্বর, ২০১৯: দাবি আদায়ে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরগর’ ব্যানারে ৩, ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর টানা তিনদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

১২ সেপ্টেম্বর আন্দোলনরতদের সঙ্গে আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেখানে দুটি দাবি মেনে নিয়ে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত দেন উপাচার্য। পরবর্তী আলোচনার দিন নির্ধারিত হয় ১৮ সেপ্টেম্বর। 


আরও পড়ুন: জাবিতে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন: দুই পক্ষের আলোচনায় যেসব সিদ্ধান্ত এলো


উপাচার্য-কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ মুখোমুখি:

১৩ সেপ্টেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উপাচার্য দাবি করেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য পদচ্যুত দুই শীর্ষ নেতা রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানী ঈদের আগে তার কাছে প্রকল্পের বরাদ্দের ৪-৬ শতাংশ দাবি করেছেন। সেদিন ঢাকা ট্রিবিউনকেও তিনি একই কথা জানান।

আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষুব্ধ সমালোচনার মুখে থাকা শোভন-রাব্বানীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ‘টক অব দ্যা কান্ট্রি’- তে পরিণত হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে লেখা এক চিঠিতে গোলাম রাব্বানী উপাচার্যের বিরুদ্ধে শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি ৬০ লাখ টাকা ভাগ করে দেওয়ার পাল্টা অভিযোগ তোলেন। 


আরও পড়ুন: উপাচার্য, শাখা-কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, ফুঁসছে জাবি


ঠিকাদার নিয়োগে উপাচার্যের স্বামী-ছেলের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্যের আঙুল তোলেন রাব্বানী। ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদকের এমন অভিযোগকে পরিকল্পিত ‘মিথ্যা গল্প’ বলে দাবি করেন উপাচার্য। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে শোভন-রাব্বানীকে পদ থেকে সরে যেতে হয়।      

ফাঁস হওয়া কল রেকর্ড:  

১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের মুঠোফোনে হওয়া একটি কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁস হয়। ওই কথোপকথনে সাদ্দাম রাব্বনীকে বলেন, উপাচার্য ফারজানা ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি টাকা ভাগ করে দিয়েছেন। টাকা বাটোয়ার মিটিংয়ে তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতি জুয়েল রানা ৫০ লাখ, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল ২৫ লাখ এবং সাদ্দাম ও তার অনুসারীরা ২৫ লাখ টাকা পান। 


আরও পড়ুন: জাবিতে শিক্ষক-ছাত্রলীগ নেতাদের মুঠোফোন সেবা বন্ধের অভিযোগ


সাদ্দাম হোসেন ও সহ-সভাপতি নিয়ামুল হাসান তাজ গণমাধ্যমের কাছেও টাকা পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। 

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা: 

আন্দোলনরতদের অন্যতম দাবি দুর্নীতির অভিযোগের বিচার বিভাগীয় তদন্তের বিষয় নিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর আন্দোলনরতদের সঙ্গে ফের আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় ওইদিন রাতেই সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্যের স্বেচ্ছা পদত্যাগ ও রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া ভর্তি পরীক্ষায় বিভিন্ন ভবনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। স্বেচ্ছা পদত্যাগে আগামী পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয় তাকে। পদত্যাগ না করলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে পদত্যাগে বাধ্য করার হুমকিও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।


আরও পড়ুন: জাবি ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা: রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার দাবি 


উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি উপাচার্যপন্থী শিক্ষকদের:

আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের পদত্যাগ চাওয়ার পরদিনই দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আমির হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেন উপাচার্যের অনুসারী আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকরা।

বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য:

আন্দোলনরত ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ প্ল্যাটফর্মের অন্যতম মুখপাত্র জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘‘আন্দোলন চলাকালে আমরা কখনোই উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করিনি। আমরা তাকে নির্দোষ ভেবে এসেছি। কিন্তু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ, পদচ্যুতি, শাখা ছাত্রলীগের নেতাদের টাকা পাওয়ার স্বীকারোক্তি, রেকর্ড ফাঁস ইত্যাদি ঘটনা প্রমাণ করে এখানে দুর্নীতি হয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে উপাচার্যের সাংঘর্ষিক বক্তব্যই প্রমাণ করে দুর্নীতিতে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।’ ’ 

‘‘আমরা মনে করি, উপাচার্য তার পদে বহাল থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। তাকে সসম্মানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’ ’

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘‘কমিশন কেলেঙ্কোরি, টাকা ভাগ-বাটোয়ার অভিযোগের পর যেসব তথ্য-প্রমাণ সামনে এসেছে সেগুলোকে আমলে নেওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তিনি শুরু থেকেই অভিযোগগুলোকে ‘অযৌক্তিক’, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আসছেন। কিন্তু নিজেকে যৌক্তিকভাবে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারছেন না। তিনি নৈতিক জায়গা হারিয়েছেন। এসবের পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।’ ’

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন, ‘‘শুরু থেকেই আমরা বলে আসছি টাকা বাটোয়ারার অভিযোগ অসত্য। এখনও বলছি। মাঝে যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলো নিয়ে তদন্ত হলে সত্য জানা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টরাই তদন্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।’ ’

আন্দোলনরতদের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা পক্ষের অংশীদার থাকেন। কেউ চাইলেই যে উপাচার্যের পদত্যাগ হবে বা হওয়া উচিৎ সেটা আমি মনে করি না। বিষয়গুলো ততদূর গড়ায়নি যে উপাচার্যকে সরে যেতে হবে। উপাচার্যকে যিনি নিয়োগ নিয়েছেন তিনিই আসলে ভালো সিদ্ধান্ত নেবেন এ বিষয়ে।’ ’ 


আরও পড়ুন: জাবি উপাচার্য : ছাত্রলীগকে টাকা দেওয়া ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ বানোয়াট


উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘যেহেতু প্রকল্পের অর্থ এখনো ছাড় হয়নি তাই দুর্নীতির অভিযোগ অসত্য। অসত্যের কোনো যৌক্তিকতা থাকে না। ওরা ওদের মতো করে বলতে থাকুক। আমার সাথে ওই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নাই। তাই আমার প্রমাণ করার সুযোগ নাই। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আজও (২১ সেপ্টেম্বর) কথা হয়েছে। উনি বলেছেন, আমরা প্রকল্পের টাকাই ছাড় দেইনি।’ ’

বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমিও চাই বিচার বিভাগীয় তদন্ত হোক। বিচার বিভাগীয় তদন্ত কেবল রাষ্ট্রীয় আদেশে বিচার বিভাগের এক বা একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় আদেশ ছাড়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত সম্ভব নয়। বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রাষ্ট্রের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি তাদেরকে। কিন্তু তারা তা না করে আমার পদত্যাগ দাবি করেছে। তাই উপাচার্য পদত্যাগ ইস্যু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করি।’ ’

52
Facebook 50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail