• বৃহস্পতিবার, জুন ০৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৫ রাত

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: ‘ভিসির পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন’

  • প্রকাশিত ০৭:৫০ রাত সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯
গোপালগঞ্জ
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। ঢাকা ট্রিবিউন

‘আমাদের এক দফা, এক দাবি দুর্নীতিগ্রস্ত এই ভিসির পদত্যাগ’

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে ৬ষ্ঠ দিনের মতো আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

অন্যান্য দিনের মতো মঙ্গলবারও (২৪ সেপ্টেম্বর) উপাচার্যবিরোধী শ্লোগানে মুখর ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ভিসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারি নিয়ে গান, কবিতা, ছড়া পরিবেশন করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন মঞ্চে।

শ্লোগান দিতে দিতে কৃষি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সীমান্ত মালাকার অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপতালে নিয়ে তাকে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে, ভিসির পদত্যাগই একমাত্র সমাধান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, ‘আমাদের এক দফা, এক দাবি দুর্নীতিগ্রস্ত এই ভিসির পদত্যাগ।’

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের সামনে আমরণ অনশন মঞ্চে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণিত বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র মো. আল গালিব।

লিখিত বক্তব্যে মো. আল গালিব বলেন, “আমরা বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এক স্বৈরাচারী ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি, যার নৈতিক স্খলন চরম পর্যায়ে। আমরা তার বন্দি জিঞ্জির থেকে মুক্ত হওয়ার আন্দোলন করছি।”

তিনি বলেন, “অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বৈরাচারী কায়দায় ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিন মুক্তমনা শিক্ষক ও সমস্ত শিক্ষার্থীকে দমিয়ে রেখে শিক্ষার পরিবেশ কলুষিত করে যাচ্ছেন। এ কারণে অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা প্রতিনিয়ত পিছিয়ে পড়ছি।”


আরো পড়ুন - গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন ভিসি স্বয়ং 


আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা জানেন, গত পাঁচ দিন ধরে বিনা বিরতিতে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে যাচ্ছি। এতে সংহতি প্রকাশ করেছে সব বিশ্ববিদ্যালয়সহ বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজ। এই আন্দোলনে বিঘ্ন ঘটাতে আমাদের ওপর নির্যাতন ও হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না। ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

এ সময় আইন বিভাগের ছাত্র শফিকুল ইসলাম, আব্দুলাহ আল রাফি, নাহিদ মোল্লা, লোকপ্রশাসন বিভাগের ছাত্রী রেহেনুমা তাবাসসুমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে পদত্যাগ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ুন কবীর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এতে আন্দোলনে নতুন মোড় নিয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এ ঘটনারও বিচার দাবি করছে।

ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের সূত্রধরে গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও দ্য ডেইলি সানের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে সময়িক বহিস্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে তীব্র সমালোচনার মুখে ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, কেলেঙ্কারিসহ ১৬টি কারণ দেখিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমাতে ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। সকাল ১০টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে বহিরাগতরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ হামলার পর ভিসি পতন আন্দোলন আরও জোরদার করে শিক্ষার্থীরা।


আরো পড়ুন - যেসব অভিযোগে বশেমুরবিপ্রবি ভিসির পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন


বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ছাত্র ইমতিয়াজ আহম্মেদ শাফিন বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল না বানিয়ে, টাকা আত্মসাৎ করে এ ভিসি আমাদের ক্যাম্পাসকে কলঙ্কিত করেছে। তিনি নিয়োগ ও ভর্তি বাণিজ্য করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপর্যয় ডেকে এনছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বা রাষ্ট্রপতির আদেশ ছাড়া আমরা আন্দোলনে থেকে সরে দাঁড়াবো না।”

ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী নুসরাত জাহান বলেন, “আমাদের আন্দোলন যতই তীব্রতর হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ততই আমাদের আন্দোলন থেকে নিবৃত্ত করতে চাপ দিচ্ছে। কোনো চাপের কাছে আমরা নতি স্বীকার করবো না। ভিসির পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”

শ্লোগান দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক শিক্ষার্থী। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

গণিত বিভাগের ছাত্র সোহেল মোল্লা বলেন, “বিএনপিপন্থী স্বৈরাচারী এ ভিসির অত্যাচার-নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ হয়েই আন্দোলনে নেমেছি। এর আগেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন, ইউজিসি তদন্তের উদ্যোগ নেয়। সেটিকে ভিসি বন্ধ করে দেয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া এ সমস্যার সমাধান হবে না।”

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, “আমার শিক্ষার্থীরা আমার কাছে সন্তানতুল্য। তাদের সাথে আমাদের মান অভিমান থাকতে পরে। তাই তারা দাবি দাওয়া নিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছে। তাদের ১৪ দাবি অনেক আগেই মেনে নেওয়া হয়েছে। আমি আশা করছি তারা এক সময় আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেবে।” তবে শিক্ষার্থীদের হুমকি দেয়ার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।


নিরাপত্তা চেয়ে পদত্যাগকারী সহকারী প্রক্টরের জিডি

এদিকে নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদত্যাগকারী সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ুন কবীর।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে তিনি গোপালগঞ্জ সদর থানায় এ জিডি করেন। হুমায়ুন কবীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।


আরো পড়ুন - গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: বৃষ্টি উপেক্ষা করে আন্দোলন অব্যাহত


 জিডিতে ওই শিক্ষক উল্লেখ করেছেন, “গত ২১ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীর ওপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে আমি সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করি। এ জন্যে হুমায়ুন কবীর (ঐঁসধুঁহ শধনরৎ) নাম দিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি/ব্যক্তিরা ফেইসবুক আইডি খুলে সেটির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক, চারিত্রিক ও মানহানিকর বিভিন্ন স্ট্যাস্টাস দিচ্ছে। অজ্ঞাতনামা (ভিসিপন্থী) ব্যক্তিরা উক্ত ফেইসবুক আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার করছে। যাতে আমার সামাজিক ও পারিবারিক এবং শিক্ষকতা পেশায় সম্মানহানি হচ্ছে।”

গত ২১ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিপন্থীরা শিক্ষকরা তাকে গ্যারেজে পেয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও জিডিতে লেখেন হুমায়ুন কবীর।

জিডিতে আরও উল্ল্যেখ করা হয়, “আমি উক্ত বিষয় নিয়ে খুব সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। যে কোনো সময় ভিসিপন্থীরা ফেসবুক আইডির মাধ্যমে অপপ্রচার করে আমার বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।”

মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, “২১ সেপ্টেম্বর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিকল্পিত হামলা করে। আগের দিন তিনি এ ব্যাপারে বৈঠক করেন। এ বৈঠকে আমি উপস্থিত ছিলাম। আমি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করি। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর আমি সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করি।”


সহকারী প্রক্টরের দাবির প্রতিবাদ প্রক্টরিয়াল টিমের

তবে পদত্যাগকারী সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবীর মিথ্যাচার করছেন বলে অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রক্টরিয়াল টিম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতির জনকের পবিত্র জন্মভূমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বশেমুরবিপ্রবি’তে একটি অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজমান। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অহিংস আন্দোলনের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষক তাদের নিজেদের স্বার্থকে চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে একে এক সহিংস রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমাদের শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তানতুল্য। আমাদের প্রতি তাদের অভিমান, দাবি থাকতেই পারে। আমরাও চাই তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো প্রতিষ্ঠিত হোক। সেজন্য আমরা উদ্যোগও নিয়েছি। কিন্তু এ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহলের আবির্ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যারা বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করছে। সরকার যেখানে গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছে, সেখানে আপনারা দেখে থাকবেন, কোটা আন্দোলনের গ্রুপসহ ফেসবুকে উপাচার্যের পদত্যাগের মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে।


আরো পড়ুন - শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির নিন্দা


প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, “স্বনামধন্য একটি পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে মো. হুমায়ুন কবীর (প্রভাষক, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ, বশেমুরবিপ্রবি) আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রশাসনের বিরুদ্ধে উসকে দেবার জন্য অনবরত বিভিন্ন রকম মিথ্যাচারের আশ্রয় নিচ্ছেন। সেই অনলাইন সংস্করণে হুমায়ুন কবীর প্রশাসনের যে মিটিংয়ের কথা উল্লেখ করেছেন তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ ধরনের কোনো মিটিং বা সিদ্ধান্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে হয়নি। এ ছাড়া গত কয়েক মাস ধরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য হিসেবে তিনি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থেকেছেন এবং বিভিন্ন দায়িত্ব পালন থেকে বিরত ছিলেন। এর কারণ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তার যে আকাক্ষা ছিল, সেটা উপাচার্য মহোদয় পূরণ করেননি, তাই তিনি দায়িত্ব পালনে অনিচ্ছুক। সেসব কথার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে।”

উল্লেখ্য, তিনি তার স্ত্রীর জন্য চাকরির আবেদন করেছিলেন এবং সেটি না হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে অবস্থান পরিবর্তন করেন। সেই সঙ্গে একটি প্রশ্ন করতে চাই, তিনি যেহেতু দাবি করেছেন, এমন মিটিংয়ে তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং হামলার ব্যাপারে জানতেন, তাহলে তিনি কেন-পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আগে অবগত করলেন না? আমরা এমন মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

এ ব্যাপারে সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবীর বলেন, “পদত্যাগ করার পর থেকে আমি ভিসিপন্থী শিক্ষকদের হুমকির মধ্যে আছি। কয়েকজন শিক্ষক আমাকে ফোন করে গালিগালাজ করেছেন। তাই নৈতিকভাবে আমাকে ছোট করার জন্য প্রক্টরিয়াল টিম এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। কারণ ওই টিমের সব সদস্যই ভিসি সমর্থক শিক্ষক। আমি ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে যা বলেছি তা শতভাগ সত্য।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. মো. বশির উদ্দীন বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সাথে ভিসি ও প্রশাসন জড়িত বলে হুমায়ুন কবীর বক্তব্য দিয়েছে। এ নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। পদত্যাগী সহকারী প্রক্টর এ বিষয়ে যদি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারে তবে, আমি পদত্যাগ করবো।”

52
50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail