• সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৮ দুপুর

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: ভিসির বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে ইউজিসির প্রতিনিধি দল

  • প্রকাশিত ০৭:৪৭ রাত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯
ইউজিসি
গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসি'র তদন্তকারী দল ঢাকা ট্রিবিউন

ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে টানা আন্দোলন চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের (ভিসি) পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সপ্তম দিনে গড়িয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শিক্ষার্থীদের মিছিল ও স্লোগানে ক্যাম্পাস ছিলো প্রতিবাদ মুখর।

এদিকে, ক্যাম্পাসে গিয়ে এদিন বিকেলেই উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত দল। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেছেন।

পাঁচ সদস্যের এ তদন্ত দলের আহ্বায়ক করা হয়েছে ইউজিসি কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীরকে।

ড. মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি দেখার জন্য এসেছি। আমরা ছাত্র-শিক্ষক সবার সঙ্গে কথা বলব। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে আগের মতো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে জন্য যা করণীয় তা করার জন্যই এসেছি।”

তিনি আরও বলেন, “ছাত্র-শিক্ষক বাদেও যদি কেউ বিশ্ববিদ্যালয়কে ভালোবাসেন বা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার ভালো পরিবেশ চান তারাও গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউসে এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। তারা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আন্দোলন, সহিংসতা, দুর্নীতির কোনো তথ্য, ভিডিও চিত্র, ছবি আমাদের দিতে পারেন। আমরা বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকব এবং প্রয়োজনীয় ফাইল দেখব।”

প্রসঙ্গত, ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে টানা আন্দোলন চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেদিন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ভিসিবিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভিসির অশোভন মন্তব্যের প্রতিবাদে আন্দোলন আরও বেগবান হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভিসির বক্তব্যের প্রতিবাদে বুধবার ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন, ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তীব্র সমালোচনার মুখে ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভিসির পদত্যাগের এক দফা আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।