• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

নওগাঁয় ২৩ লাখ টাকাসহ উচ্চমান সহকারী আটক

  • প্রকাশিত ১০:৪৯ রাত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯
টাকা
২৩ লাখ টাকাসহ উচ্চমান সহকারী আটক ঢাকা ট্রিবিউন

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন নওগাঁয় সঞ্চয় অফিসে দিনব্যাপী তল্লাশি চালান। উক্ত হাসান আলীর অফিসিয়াল আলমারি থেকে ২২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়

নওগাঁয় সঞ্চয় অফিস থেকে সঞ্চয়ীদের আত্মসাৎকৃত ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার মধ্যে ২২ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে দুদক। এই আত্মসাৎ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার দায়ে ওই অফিসের উচ্চমান সহকারী মোঃ হাসান আলীকে গ্রেফতরা করা হয়েছে।

দুদকের কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশন রাজশাহীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, জাতীয় সঞ্চয় অফিস/ব্যুরো নওগাঁর অফিস থেকে ৬২জন সঞ্চয়ীর ২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা লাপাত্তা হয়েছে মর্মে পুলিশে একটি মামলা দায়ের করেন ওই অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন। মামলা নম্বর ৫৬ তারিখ ১৫/০৬/২০১৯।

পরবর্তীতে মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরিত হলে বিষয়টির তদন্ত শুরু করে দুদক। প্রথমপর্যায়ে সঞ্চয় অফিসের অফিস সহায়ক সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের একপর্যায়ে উক্ত সাদ্দাম হোসেনকে রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও গোপন খবরের মাধ্যমে দুদক সংবাদ পায় যে অফিসের উচ্চমান সহকারী মোঃ হাসান আলী এই ঘটনার সাথে জড়িত আছে। এমন কি তার অফিসের আলমারিতে আত্মসাৎকৃত টাকা রয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন নওগাঁয় সঞ্চয় অফিসে দিনব্যাপী তল্লাশি চালান। উক্ত হাসান আলীর অফিসিয়াল আলমারি থেকে ২২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। দুদকের অনুমান এই টাকাগুলো গ্রাহকের আত্মসাৎকৃত টাকার অংশ।

বিকেল ৫টায় জাতীয় সঞ্চয় অফিস/ব্যুরো’র উচ্চমান সহকারী উক্ত হাসান আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। নওগাঁ সদর থানার পুলিশ তাকে জেল-হাজতে প্রেরণ করে।

এর আগে, নওগাঁয় জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে গ্রাহকের প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ধরা পড়েছে। বিভাগীয় অডিটে বিষয়টি বেরিয়ে আসার পর এতে অফিস সহায়ক সাদ্দাম হোসেনকে দায়ী করেন কর্মকর্তারা। ঘটনাটি অনুসন্ধানে নামে দুদক।

নওগাঁ সঞ্চয় অধিদপ্তর অফিসে ২০১৪ সাল থেকে অফিস সহায়ক পদে কর্মরত ছিলো সাদ্দাম হোসেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে হঠাৎ করে অফিসে আসা বন্ধ করে দেন তিনি। এরপর ৭ মাস অফিসে আসেনি। সাদ্দাম বেশকিছু আমানতের হিসাবের রেকর্ড না রেখে গ্রাহককে ভুয়া সিল-স্বাক্ষরে রশিদ দিয়েছেন। এধরনের বিভিন্ন পন্থায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।