• সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৮ দুপুর

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: ভিসিকে লাল কার্ড প্রদর্শন শিক্ষার্থীদের

  • প্রকাশিত ০৮:৩৪ রাত সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯
আন্দোলন
শুক্রবার ভিসিকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ঢাকা ট্রিবিউন

'ভিসির অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জের উপাচার্যের (ভিসি) পদত্যাগের দাবিতে ৯ম দিনের মতো শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেল ৫ টায় ক্যাম্পাসের জয়বাংলা চত্বরে ভিসিকে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এ সময় তারা ভিসি'র পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর আগে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ভিসির পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ভিসির কুশপুতুল দাহ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, "ভিসির পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। কোন কিছুই আমাদের আন্দোলন দমাতে পারবেনা।"

এদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়   রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন অহমেদের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান প্রফেসর ড. আব্দুর রহিম খান এ প্রসঙ্গে বলেন, "এ তদন্ত প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।" 

রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহমেদ তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে বলেন, "বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে।"

উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও দ্য ডেইলি সানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ফাতেমা-তুজ-জিনিয়াকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর প্রতিবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের মুখে বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে  ভিসি পতনের আন্দোলন শুরু করে এবং শনিবার দুপুরে আন্দোলনে যোগ দিতে আসা শিক্ষার্থীদের উপর পাঁচস্থানে হামলার ঘটনা ঘটে।