• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২০ রাত

কুপিয়ে, অ্যাসিডে ঝলসানো হলো ছাত্রলীগ নেতাকে

  • প্রকাশিত ১২:০২ দুপুর অক্টোবর ১, ২০১৯
গণধোলাই
প্রতীকী ছবি।

শাওন বলেন, 'মুন্নার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। ডাক্তার বলছে বাঁচবে কিনা সন্দেহ আছে'

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় সৈয়দ মো. মুন্না (৩৫) নামের ছাত্রলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে ও অ্যাসিড দিয়ে ঝলসে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। 

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টায় ফতুল্লার থানার বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

আহত মুন্না ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) গ্রাম পুলিশ মেরাজ হোসেনের ছেলে। তিনি ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং এলাকায় গার্মেন্টসের ওয়েস্টেজ ব্যবসায়ী।

মুন্নার পরিবারের দাবি, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে মুন্নাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়েছে।

আহত মুন্নার ভাই শাওন জানান, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত স্থানীয় সাইফুল ও রকিবের সঙ্গে মুন্নার ব্যবসায়িক বিরোধ ছিলো। সে বিরোধের জের ধরে মুন্নার ওপর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সোমবার পোস্ট অফিস রোডের বটতলা এলাকায় অতর্কিত হামলা করে সাইফুল ও রকিসহ আরও বেশ কয়েকজন। 

এ সময় সন্ত্রাসীরা মুন্নাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার শরীর ও মুখ এসিড দিয়ে ঝলসে দেয়। এ অবস্থায় মুন্নার চিৎকার শুনে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের স্বজনরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে।

শাওন আরও বলেন, "মুন্নার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। ডাক্তার বলছে বাঁচবে কিনা সন্দেহ আছে। এ ঘটনার পর পরিবারের সবাই ঢাকা মেডিকেলে চলে আসায় এখন পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ হয়নি।"  

ছাত্রলীগে মুন্নার পদের বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, "মুন্না আমাদের ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। সে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে আছে।"

হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, "মুন্নার এক মামা ফোন করে হামলার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। তবে বিস্তারিত কিছুই তিনি বলেননি। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।"

এ ব্যাপারে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন  জানান, এ ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য তার কাছে এখনও আসেনি। এখন পর্যন্ত কেউ এ বিষয়ে থানায় অভিযোগও করেনি। 

ওসি আসলাম আরও জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।