• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

টাকা জমা দেওয়া নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬

  • প্রকাশিত ০৫:৩০ সন্ধ্যা অক্টোবর ৩, ২০১৯
বেরোবি
সংঘর্ষের পর ব্যাংক বুথের সামনে পুলিশি পাহারা। ঢাকা ট্রিবিউন

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী লাইনে না দাঁড়িয়েই লাইনের পাশ থেকে টাকা জমা দিতে থাকলে পরিসংখ্যান বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী তাদের বাধা দেন। এতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাংকের বুথে টাকা জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জনকে গুরতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মহিবুল ইসলাম। 

পুলিশ ও প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, রসায়ন, ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগসহ আরো কয়েকটি বিভাগের ভর্তি ও ফরম পূরণের তারিখ ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো স্থায়ী ব্যাংক শাখা না থাকায় ক্যাফেটেরিয়ার দুই তলায় অবস্থিত অস্থায়ী একটি ব্যাংক বুথে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দিতে থাকে শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টার দিকে পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বুথে টাকা জমা দেওয়ার সময় লাইনে দাঁড়ায়। এ সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের কিছু শিক্ষার্থী লাইনে না দাঁড়িয়েই লাইনের পাশ থেকে টাকা জমা দিতে থাকলে পরিসংখ্যান বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী তাদের বাঁধা দেন। এতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় যা এক পর্যায়ে তুমুল সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী কবিরুল ইসলাম কাকন, দিপু এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শামীম ও রোহান আহত হন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে দু’জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে কর্মরত ডাক্তার অলক কুমার বলেন, “আহতদের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন মাথায় গুরুতর আঘাত এবং অপরজনের নাকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে গেছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, “ব্যাংক বুথে টাকা জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।” 

বিষয়টি জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) আতিউর রহমানের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।