• বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৩ বিকেল

জাবিতে উপাচার্য অপসারণের দাবিতে চলছে ধর্মঘট

  • প্রকাশিত ০৫:৪৪ সন্ধ্যা অক্টোবর ৩, ২০১৯
জাবি
প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষকদের ধর্মঘট। ঢাকা ট্রিবিউন

সকাল ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) রহিমা কানিজ নতুন প্রশাসনিক ভবনে নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে গেলে আন্দোলনকারীদের বাধায় তারা ফিরে যান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য পদ থেকে অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে অপসারণের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ধর্মঘট চলছে। 

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ধর্মঘট শুরু করেন ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সকাল ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) রহিমা কানিজ নতুন প্রশাসনিক ভবনে নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে গেলে আন্দোলনকারীদের বাধায় তারা ফিরে যান।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের প্রতিটি ফটকে অবস্থান নিয়ে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেয় আন্দোলনকারীরা। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। 

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক জানান, বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের চূড়ান্ত পরীক্ষা ধর্মঘটের আওতামুক্ত রয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতির কাছে উপাচার্যকে অপসারণের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে চিঠি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের অন্যতম মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন।

তিনি বলেন, “আমরা মহামান্য আচার্যকে ফ্যাক্সের মাধ্যমে বর্তমান উপাচার্যকে অপসারণের যৌক্তিকতা জানাবো। উপাচার্যের দুর্নীতির বিষয়ে তাকে অবহিত করবো।”

বৈঠক করে দুপুরের পর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান অধ্যাপক রায়হান রাইন। 

এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে তার স্বেচ্ছা পদত্যাগে ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দেন আন্দোলনকারীরা। ওই সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করায় গতকাল (বুধবার) থেকে উপাচার্যকে অপসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন করছে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম আন্দোলনরতদের দাবি ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে পদত্যাগ করবেন না বলে জানান।

এদিকে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে বৃহস্পতিবার গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করছেন উপাচার্যের সমর্থক আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবনে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বুধবারও তারা ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ ব্যানারে মানববন্ধন করেছেন।