• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

শিক্ষা উপমন্ত্রী: জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে এখনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসেনি

  • প্রকাশিত ০৬:০৯ সন্ধ্যা অক্টোবর ৩, ২০১৯
নওফেল
শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হক চৌধুরী নওফেল সংগৃহীত

উপমন্ত্রী আরও বলেন, উপাচার্যরা মেয়াদের শেষ সময়ে বেশি বিতর্কের মুখে পড়েন। কেননা এই পদের জন্য অনেকেই মুখিয়ে থাকেন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আসেনি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। ফলে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি করার মতো অবস্থাও সৃষ্টি হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর পলাশীতে বাংলাদেশ শিক্ষা, তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) মিলনায়তনে বাংলাদেশ এডুকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (বিইআরএফ) আয়োজিত 'সাংবাদিকতায় নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন' শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘‘একটা পক্ষ উপাচার্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে কিছু আলাপ-আলোচনা সামনে এনেছে। সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আমাদের সামনে কেউ আনতে পারেননি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কোনো ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন। শুধু কিছু ফোনালাপের সূত্র ধরে কোনও পদক্ষেপ নেওয়াটা দৃষ্টিকটু দেখায়। এটি মানহানিকরও বটে। কারও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা জমা দেওয়া হোক। অভিযোগ আসলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘‘শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়টির যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কথা, প্রকল্পের শুরুতেই ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলনে সেটি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা লাঘবের জন্য এই প্রকল্পটি নেওয়া হয়, কিন্তু এখন প্রকল্পটি যেন না হয় সেদিকে আমরা চলে যাচ্ছি।’’

উপমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘উপাচার্যরা মেয়াদের শেষ সময়ে বেশি বিতর্কের মুখে পড়েন। কেননা এই পদের জন্য অনেকেই মুখিয়ে থাকেন।’’

উল্লেখ্য, জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ। তার পদত্যাগের জন্য গত মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। তবে ওই দিন সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলনরতদের দাবি ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে পদত্যাগ করবেন না বলে ঘোষণা দেন উপাচার্য। ফলে বুধবার থেকে আবারও উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তবে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করছেন উপাচার্য সমর্থিত আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা।