• সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩ রাত

ফেসবুকে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণ

  • প্রকাশিত ০৯:৪৫ রাত অক্টোবর ৪, ২০১৯
গণধর্ষণ
প্রতীকী ছবি। বিগস্টক।

এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ 

খুলনার রূপসা উপজেলার নবম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত রূপসার শ্রীফলতলা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বুধবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চাপড়ি গ্রামের আবদুর রবের ছেলে নিয়ামুল শেখ (২০), তৈয়ব শেখের ছেলে রিয়াজ (১৮), রূপসার শ্রীফলতলার ইউনিয়নের মোছাব্বরপুর গ্রামের রশিদ ঢালির ছেলে শরীফুল ইসলাম (২৬), আলী হায়দার মোড়লের ছেলে আসাদুল মোড়ল (১৮), শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিশাগুনি গ্রামের মাসুম শেখের ছেলে নাঈম শেখ (১৮) ও সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার খলিশা বুনিয়া গ্রামের আবদুল কাশেম সানার ছেলে সোহেল রানা (১৮)।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, বুধবার ওই ছাত্রী নিয়ামুল নামের এক তরুণের সঙ্গে খুলনা নগরীর হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। দুই-তিন মাস আগে তাদের ফেসবুকে পরিচয় হয়। মাদরাসার ওই ছাত্রীর সঙ্গে তার আট বছরের খালাতো ভাই ছিল। নিয়ামুল ভুক্তভোগীকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ধর্ষণ করেন। এ সময় মামলার দুই আসামি তাকে ধর্ষণের সহায়তা করেন। পরে মামলার অপর চার আসামি ঘটনা দেখে এগিয়ে গিয়ে বাকি তিন আসামিকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। 

ঘটনার পর ওই মাদরাসাছাত্রী বাড়ি গিয়ে তার মা ও খালার কাছে বিষয়টি জানায়। পরে বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগীর মা রূপসা থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন। তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করার পর ভিকটিমের মায়ের দেওয়া অভিযোগ লিখিত নিয়ে থানায় নথিভুক্ত করা হয়। 

খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. নূর আলম সিদ্দিকী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের বিশেষ টিম অভিযান শুরু হয়। অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (খুমেক) ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছে।