• রবিবার, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৩ রাত

অবশেষে আটক যুবলীগ নেতা সম্রাট

  • প্রকাশিত ০৯:৪১ সকাল অক্টোবর ৬, ২০১৯
ইসমাইল হোসেন সম্রাট
ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট। মেহেদি হাসান/ঢাকা ট্রিবিউন

রবিবার (৬ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে আটক করা হয়

চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

রবিবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে আটক করা হয় বলে ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু করে র‌্যাব। ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাবে জুয়ার আসর চলছে এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযানে নারী-পুরুষসহ ১৪২ জন আটক করা ছাড়াও প্রায় ২০ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করা হয়। একইদিন সন্ধ্যায় গু লশানে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয় যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে। তিনি ফকিরাপুলের ক্লাবটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।


আরও পড়ুন - রাজধানীতে যুবলীগ নেতার ‘ক্যাসিনো’তে র‌্যাবের অভিযান


খালেদ মাহমুদ গ্রেফতারের তিনদিন পর ২০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) নিকেতনে নিজের অফিস থেকে গ্রেফতার করা হয় যুবলীগ নেতা জিকে শামীমকে। এসময় অবৈধভাবে ক্যাসিনো পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয়ের জন্য ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের নামও উঠে আসে।


আরও পড়ুন - ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ আটক


অভিযানের প্রথম দিন থেকেই সম্রাট কয়েকশ’ নেতাকর্মী নিয়ে কাকরাইলে তার নিজ কার্যালয়ে অবস্থান নেন। পরে তার অবস্থান ও আটক নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। এরই মধ্যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর তার ব্যাংক হিসাব স্থগিত ও তলব করা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর তার বিদেশগমনে জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা।


আরও পড়ুন - শতকোটি টাকাসহ আরেক যুবলীগ নেতা আটক


এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সম্রাটের গ্রেফতার প্রসঙ্গে বলেন, “সময় হলে সব দেখতে পাবেন।”

সম্রাটের  বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।