• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০২ রাত

নিজ গ্রামে সমাহিত হলেন আবরার

  • প্রকাশিত ১১:৩৪ সকাল অক্টোবর ৮, ২০১৯
আবরার
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে মঙ্গলবার স্থানীয় গোরস্থানে আবরারকে সমাহিত করা হয়। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শত শত মানুষ এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে তৃতীয় জানাজা শেষে সমহিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে স্থানীয় গোরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। 

এদিকে আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শত শত মানুষ এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। হাতে প্লাকার্ড নিয়ে তার আবরার হত্যাকরীদের বিচার ও ফাঁসির দাবি জানান। 


আরও পড়ুন : হত্যাকাণ্ডের রাতের সিসিটিভি ফুটেজে আবরার (ভিডিও)


মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ, ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজসহ স্বজনরা ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডের নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময় আবরার ফাহাদকে এক নজর দেখার জন্য সেখানে শত শত মানুষ ভিড় জমায়। 

এর আগে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয় আল ইকরা জামে মসজিদের সামনে নিহত আবরারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শত শত মানুষ ওই জানাজায় অংশ নেয়। পরে সকাল ৯টার দিকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে। সেখানে সকাল ১০টার দিকে রায়ডাঙ্গা গোরস্থানে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়ার আফসার উদ্দিন মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপ্যাল রেজাউল করিম জানাজা পড়ান। সহস্রাধিক মানুষ জানাজায় অংশ নেয়। 


আরও পড়ুন : আবরার হত্যাকাণ্ড : বুয়েটের ১১ শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার


জানাজা শেষ হওয়া মাত্রই বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী রাস্তায় নেমে হাতে প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তারা আবরার হত্যাকারীদের গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবি জানায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাশের রায়ডাঙ্গা গোরস্থানে নিহত আবরার ফাহাদকে সমাহিত করা হয়। 

রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে সোমবার ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া আবরার ফাহাদকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগ থেকে ১১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।


আরও পড়ুন : রাতে আবরারকে বার বার ফোন করেছিলেন মা রোকেয়া