• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৭ রাত

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ-ভারত নৌবাহিনীর যৌথ টহল শুরু

  • প্রকাশিত ০৯:৫৬ সকাল অক্টোবর ১০, ২০১৯
বাংলাদেশ-ভারত নৌবাহিনীর যৌথ টহল
বাংলাদেশ ও ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ও টহল বিমানের (মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট) অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে যৌথ Coordinated Patrol (CORPAT) ঢাকা ট্রিবিউন

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) শুরু হয়ে ১২ অক্টোবর ভারতের বিশাখাপত্তমে পৌঁছানোর মধ্যদিয়ে দ্বিতীয়বারের মত অনুষ্ঠিত এই টহল শেষ হবে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর সহঃ তথ্য অফিসার এস এম শামীম আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বার্তায় এতথ্য নিশ্চিত করা হয়

বঙ্গোপসাগরে দ্বিতীয়বারের মতো দুইদেশের সমুদ্রসীমার নির্ধারিত এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ও টহল বিমানের (মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট) অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে যৌথ Coordinated Patrol (CORPAT)।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) শুরু হয়ে ১২ অক্টোবর ভারতের বিশাখাপত্তমে পৌঁছানোর মধ্যদিয়ে এই টহল শেষ হবে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর সহঃ তথ্য অফিসার এস এম শামীম আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বার্তায় এতথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ওই প্রেস বার্তায় বলা হয়েছে, টহলে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ‘স্বাধীনতা’ ও ‘আলী হায়দার’ বুধবার খুলনার মংলা নৌজেটি ত্যাগ করে। নৌ জেটি ত্যাগের প্রাক্কালে নৌবাহিনীর ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী সুসজ্জিত বাদকদল বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনের মাধ্যমে তাদের বিদায় জানায়।

যৌথ এ টহলে নৌবাহিনীর দু‘টি যুদ্ধজাহাজ ও ভারতীয় নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজ ও এমপিএ অংশগ্রহণ করবে। যাত্রাপথে দুইদেশের মধ্যে একটি যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ দু’টি বিশাখাপত্তমে পৌঁছে যৌথ টহল সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে।

সমুদ্র এলাকায় অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ, চোরাচালান ও মানবপাচার, জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদ এবং মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড নিরসনের লক্ষ্যে এ যৌথ টহল পরিচালিত হবে। দু’দেশের এই যৌথ টহল বঙ্গোপসাগরে নিজ নিজ জলসীমায় সমুদ্র বিষয়ক অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান, তথ্যাদির সঠিক ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রপথে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাহাজসমূহ চিহ্নিতকরণ ও বিভিন্ন অপরাধ নিরসনকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলা ও সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়। যৌথ এ টহল শেষে যুদ্ধজাহাজ দুটি আগামী ১৮ অক্টোবর দেশে প্রত্যাবর্তন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।