• মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৮ দুপুর

অনলাইনে বন্যপাখি বিক্রি, ক্রেতা সেজে হাজির বন কর্মকতারা!

  • প্রকাশিত ০৬:৪৩ সন্ধ্যা অক্টোবর ১০, ২০১৯
বন বিভাগ
বাঁ থেকে বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক, নার্গিস সুলতানা ও ফরেস্টার হাফিজুর রহমান। সৌজন্য

দীর্ঘদিন ধরে একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বন্যপাখি কেনাবেচা করে আসছিল একটি চক্র

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী এলাকার একটি বাড়ি ও গোলাকান্দাইল বাজারে অভিযান চালিয়ে ২৯টি দেশি পাখি উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। 

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক এ এস এম জহির উদ্দিন আকনের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে দিনভর অভিযান পরিচালনা করে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। 


আরো পড়ুন - প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে খাঁচার পাখি অবমুক্ত করে সমালোচনায় মেয়র খোকন


বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বন্যপাখি কেনাবেচা করে আসছিল একটি চক্র, যা আইনানুযায়ী নিষিদ্ধ। বিষয়টি বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের নজরে আসে। বৃহস্পতিবার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যরা পাখির ক্রেতা সেজে রূপগঞ্জের রূপসী এলাকার রবিন মিয়ার বাড়িতে হাজির হন। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত রবিন মিয়া পালিয়ে যায়। পরে তার বাড়ি থেকে চারটি টিয়া ও ১৮টি তোতা পাখি উদ্ধার করা হয়। 

উদ্ধারকৃত বন্যপাখি। ছবি: সৌজন্য

অন্যদিকে, একই উপজেলার গোলাকান্দাইল বাজারে অভিযান চালিয়ে বন্দি অবস্থায় ছয়টি শালিক ও একটি ডাহুক উদ্ধার করা হয়।

নার্গিস সুলতানা বলেন, “শনিবার পাখিগুলোকে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে।”

তিনি বলেন, “বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী সকল প্রকার দেশি পাখি ও বন্যপ্রাণী ক্রয়-বিক্রয়, অননুমোদিত লালন-পালন আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”

ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই বন কর্মকর্তা।


আরো পড়ুন - পিটিয়ে মারা হলো অজগরটিকে