• বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৩৭ বিকেল

আবরার হত্যা নিয়ে বিবৃতি, জাতিসংঘ দূতকে তলব

  • প্রকাশিত ০৫:৩৯ সন্ধ্যা অক্টোবর ১৩, ২০১৯
মিয়া সেপ্পো
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো। মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

আবরার হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ দূত মিয়া সেপ্পো বলেছিলেন, 'মত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার। এর চর্চার জন্য কাউকে হয়রানি, নির্যাতন ও হত্যা করা উচিত নয়।'

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিবৃতি দেয়ায় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোকে ডেকে ব্যাখ্যা চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

রবিবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে মিয়া সেপ্পো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক নাহিদা সোবহানের দপ্তরে আসেন। মহাপরিচালকের দপ্তরে প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থান করেন তিনি। তবে বৈঠকের পর কোনো মন্তব্য করেননি সেপ্পো।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৯ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ দূত মিয়া সেপ্পো বলেন, "মত প্রকাশের স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার। এর চর্চার জন্য কাউকে হয়রানি, নির্যাতন ও হত্যা করা উচিত নয়।"

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বৈঠকে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীকে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে যে, বিভিন্ন প্লাটফর্মে মত প্রকাশের ব্যাপারে সরকার কাউকে বাধা দেয়নি। সরকার মনে করে— জাতিসংঘ বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার। আবরার হত্যাকাণ্ডের মতো কোনও ঘটনার বিষয়ে জাতিসংঘ প্রতিনিধির বিবৃতি দেওয়া অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকটি নিয়মিত বৈঠকের অংশ ছিল এবং তারা উভয়ই আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বীকে। ওইদিন রাত তিনটার দিকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ৭ অক্টোবর রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়।