• বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৩৭ বিকেল

আবরার হত্যা: নির্যাতনে ব্যবহৃত দড়ি সরবরাহ করেন মুজাহিদ

  • প্রকাশিত ০৯:১৪ রাত অক্টোবর ১৩, ২০১৯
বুয়েট আবরার ফাহাদ
নিহত আবরার ফাহাদ। ছবি: সংগৃহীত

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মুজাহিদ বুয়েট ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যায় জড়িত থাকার ঘটনায় রিমান্ডে থাকা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রোববার (১৩ অক্টোবর) মুজাহিদকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মুজাহিদ বুয়েট ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। নিহত আবরারও এ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

সূত্র জানায়, যে দড়ি দিয়ে আবরারকে নির্যাতন করা হয়েছিল, বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিনের নির্দেশনায় সেই দড়ির ব্যবস্থা করেছিলেন মুজাহিদ।

এর আগে মুজাহিদ স্বীকারোক্তি দিতে রাজি থাকায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান তাকে আদালতের সামনে হাজির করেন।

হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনায় গত ৯ অক্টোবর নয়জন ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে মুজাহিদকেও পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এর আগের দিন সিসিটিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে তাদের আটক করা হয়।

গত ১০ অক্টোবর বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সমাজসেবা বিষয়ক উপসম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার ব্যাপারে আদালতের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার (২১) নিহত হন। এ ঘটনায় তার বাবা ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি পরে ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

মামলায় এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত ১৫ জনসহ ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।