• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৪ দুপুর

তেজস্ক্রিয় বর্জ্য অপসারণের ব্যয় বহন করতে হবে দূষণকারীকে

  • প্রকাশিত ০৭:০১ রাত অক্টোবর ১৪, ২০১৯
রূপপুর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতীকী ছবি/ঢাকা ট্রিবিউন

পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে আরডব্লিউএমসি (রেডিওঅ্যাকটিভ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি) নামে একটি কোম্পানি

তেজস্ক্রিয় বর্জ্য অপসারণের জন্য দূষণকারীকে ব্যয় বহনের বিধান রেখে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জাতীয় নীতি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মাদ শফিউল আলম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান।

পারমাণবিক জ্বালানি চিকিৎসা ক্ষেত্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবে বলেন, দেশের বিভিন্ন খাত থেকে তৈরি হওয়া পারমাণবিক বর্জ্যের নিষ্পত্তি করতেই এ নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে।

‘‘পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে আরডব্লিউএমসি (রেডিওঅ্যাকটিভ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি) নামে একটি কোম্পানি। কিন্তু এজন্য দূষণকারীকেই ব্যয় বহন করতে হবে,’’ যোগ করেন শফিউল আলম।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বর্জ্য নিয়ে যাবে এবং সেগুলো তাদের দেশে নিষ্পত্তি করবে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নীতিমালা মেনেই এই নীতি তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইএইএ’র নীতিমালার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ও পারমাণবিক জ্বালানিতে ক্ষয়ক্ষতি ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে নীতিমালাটি তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।