• বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:২৭ রাত

‘মুসলিমবান্ধব পর্যটনের জনপ্রিয় গন্তব্য হতে পারে বাংলাদেশ’

  • প্রকাশিত ০৫:২২ সন্ধ্যা অক্টোবর ১৫, ২০১৯
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত মুসলিম বান্ধব পর্যটন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী ইউএনবি

আমাদের দেশজুড়ে নান্দনিক স্থাপত্যের মসজিদ, ইসলামিক প্রত্নতত্ত্ব স্থান, মাজার এবং বিভিন্ন ইসলামিক স্মারক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। আমাদের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতি

বাংলাদেশ মুসলিম বান্ধব পর্যটনের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেন, মুসলিম বান্ধব পর্যটনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদানই এদেশে বিদ্যমান।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইসলামি সহযোগিতার সংস্থার (ওআইসি) অঙ্গ সংস্থা স্ট্যাটিস্টিকাল, ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ ট্রেনিং সেন্টার ফর ইসলামিক কান্ট্রিজ আয়োজিত মুসলিম বান্ধব পর্যটন বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবসময়ই মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ এবং চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জাতির পিতার উদ্যোগেই বাংলাদেশ ওআইসি’র সদস্যপদ লাভ করে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন গঠন করেন আর তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০১০ সালে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড গঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক জানিয়ে মাহবুব আলী বলেন, বর্তমান বিশ্বে মুসলিম বান্ধব পর্যটন অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল একটি ক্ষেত্র। শুধু মুসলিম দেশেই নয় অস্ট্রেলিয়া, তাইওয়ান, কোরিয়া, জাপান এবং নিউজিল্যান্ডের মত নন-মুসলিম দেশগুলোও এই পর্যটনের গুরুত্ব অনুধাবন করে মুসলিম বান্ধব পর্যটন পণ্য এবং সেবার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। সারা বিশ্বের মুসলিম পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য মুসলিম বান্ধব পর্যটনের বিকাশে তারা কাজ করছে।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মুসলিম বান্ধব পর্যটন বিকাশে অনুকূল পরিবেশ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশজুড়ে নান্দনিক স্থাপত্যের মসজিদ, ইসলামিক প্রত্নতত্ত্ব স্থান, মাজার এবং বিভিন্ন ইসলামিক স্মারক ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। আমাদের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতি। তার সবই মুসলিম বান্ধব পর্যটন বিকাশে অনুকূল ভূমিকা রাখবে।

বেসরকারি উদ্যোক্তারা পর্যটনের এই নতুন ধারণা বিকাশে কাজ করবেন বলে আশা করছেন প্রতিমন্ত্রী।