• বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৩৮ রাত

আইনমন্ত্রী: আবরার হত্যা মামলায় প্রসিকিউশন টিম গঠনের প্রক্রিয়া চলছে

  • প্রকাশিত ০৭:০২ রাত অক্টোবর ১৬, ২০১৯
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি।

‘আবরার হত্যা মামলার চার্জশিট দ্রুত রিসিভ করার জন্য একটি প্রসিকিউশন টিম গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। যেই মুহূর্তে মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে, সেই মুহূর্তেই বিচার কাজ শুরু করে দ্রুত শেষ করা হবে’

বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দ্রুত গ্রহণ করার জন্য একটি প্রসিকিউশন টিম (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের দল) গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, “আবরার হত্যা মামলার চার্জশিট দ্রুত রিসিভ করার জন্য একটি প্রসিকিউশন টিম গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। যেই মুহূর্তে আবরার হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে, সেই মুহূর্তেই বিচার কাজ শুরু করে দ্রুত শেষ করা হবে।”

বুধবার (১৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আবরার হত্যা মামলার বিচার কাজ কবে শুরু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যেকোনো ফৌজদারি মামলার এজাহার দেওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়। সে অনুযায়ী তদন্ত হচ্ছে। অভিযুক্ত অনেককে আটক করা হয়েছে। তারমধ্যে অনেকে অপরাধ স্বীকার করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছুদিন আগে বলেছেন দ্রুত সময়ে মামলার চার্জশিট দেবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত বিচার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেজন্য আমরা আমাদের প্রসিকিউশন প্রস্তুত করছি।”

গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে (২১) শের-ই-বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী।

আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় চকবাজার থানায় মামলা করেন। পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত ১৬ আসামিসহ এপর্যন্ত ২০জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদেরমধ্যে পাঁচজন দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে রাজপথে আন্দোলন শুরু করে তার সহপাঠীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে তাদের দাবির মুখে গত ১১ অক্টোবর বুয়েট ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। বুয়েটের কোনো শিক্ষার্থী ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।

মঙ্গলবার আবরারের হত্যাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও হত্যা মামলার অভিযোগপত্র জমা না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থী।