• বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৩ বিকেল

ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদ পেতে যুবককে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি

  • প্রকাশিত ০৮:৪৮ রাত অক্টোবর ১৭, ২০১৯
খুলনা মুক্তিপণ
যুবককে আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ দাবির অপরাধে বুধবার খুলনায় ৪ প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশঢাকা ট্রিবিউন

প্রতারকদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করেন ভুক্তভোগী যুবক

ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদ পেতে যুবককে ডেকে নিয়ে আটকে রেখে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং নির্যাতনের অপরাধে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে খুলনার পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে নির্যাতিত যুবককে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাতে খুলনার দারোগার লিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মহানগরীর লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) বায়েজিদ আকন ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, মাসখানেক আগে খুলনার নাজমিন (২২) নামে এক নারীর সঙ্গে বাগেরহাটের ইয়ামিন শেখ (২৮) এর ফেসবুকে পরিচয় হয়। এরপর নাজমিনের সহায়তায় আছিয়া নামে আরেক নারী নাজমিন সেজে ইয়ামিনের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় শুরু করেন। 

নাজমিনের ছদ্মবেশধারী আছিয়ার আমন্ত্রণে বুধবার বিকেলে রামপাল থেকে খুলনার মোহাম্মদীয়া আমতলা এলাকায় যান ইয়ামিন। সেখানে যাওয়ার পর নাজমিন ও তার সহযোগীরা ইয়ামিনকে আমতলা মহিলা মাদ্রাসার একটি পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন করে। মুক্তিপণ হিসেবে দাবি করা হয় ২ লাখ টাকা। নির্যাতনের মুখে ৫০ হাজার টাকা দিতে সম্মত হন ইয়ামিন। প্রতারকদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করেন ভুক্তভোগী যুবক। 

পুলিশ জানায়, প্রতারকরা টাকা তোলার জন্য বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে দারোগার লিজ এলাকায় যায়। বিষয়টি সম্পর্কে নির্যাতিত যুবকের ওই আত্মীয় আগেই পুলিশকে জানান। টাকা তোলার সময় পুলিশ অভিযুক্তদের ধরে ফেলে এবং নির্যাতিত ইয়ামিনকে উদ্ধার করে। 

গ্রেফতাররা হলো - মঞ্জু শেখ (৫০), মো. রুহুল আমিন গাজী (৪৫), আছিয়া বেগম (৩২) এবং নাজমিন (২২)। 

এ ঘটনায় নির্যাতিত যুবক বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা করছেন। গ্রেফতার ৪ জনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।