• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কম্ব্যাট ফাইটার, মিসাইল সিস্টেম ও অ্যাপাচি হেলিকপ্টার কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ

  • প্রকাশিত ১০:১৬ রাত অক্টোবর ১৭, ২০১৯
হেলিকপ্টার
প্রতীকী ছবি ঢাকা ট্রিবিউন

একজন মার্কিন কর্মকর্তা মনে করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র কেনার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী এমন কম্ব্যাট ফাইটার, অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টার ও ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণ যোগ্য মিসাইল সিস্টেম কেনার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আইনানুসারে এ বিষয়ে দু'টি চুক্তি সম্পাদন করতে কাজ করে যাচ্ছে দুই দেশ। এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহায়তা বৃদ্ধি পাবে। মার্কিন দূতাবাসে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তারা এ তথ্য জানান।

তবে ঢাকা ট্রিবিউন এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।

এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি দু'টি হচ্ছে- অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং অ্যাগ্রিমেন্ট (এসিএসএ) এবং জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (জিএসওএমআইএ)। 

তবে প্রস্তাবিত এ সমরাস্ত্র চুক্তির ব্যয় সম্পর্কে কিছু বলতে রাজি হননি মার্কিন কর্মকর্তারা।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, “২০১৮ সালে বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী কম্ব্যাট ফাইটার, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণ যোগ্য মিসাইল সিস্টেম এবং আরও কিছু জিনিস কেনার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছিল।”

উদাহরণস্বরূপ তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে দুই ধরনের অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার প্রস্তাব দিলে তারা এইচ৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়।

বিমানবাহিনী এখন বেসামরিক নেতৃত্বের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তবে বাংলাদেশ আরও কী ধরনের আধুনিক সমরাস্ত্র কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

“বাংলাদেশের প্রস্তাবনায় আমাদের সম্মতি রয়েছে,” বলে জানান আরেক কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র কেনার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আর দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহায়তা ক্রমবর্ধমান পর্যায়ে থাকায় ওয়াশিংটনও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা প্রয়োজন। তাই এখনই বিনিময় মূল্য সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না।

তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্র সংগ্রহের ব্যাপারে চীনের সম্ভাব্য আপত্তি বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ চীন অথবা অস্ত্র প্রস্তুতের ক্ষেত্রে ‘নিঃসন্দেহে’ বিশ্বসেরা যুক্তরাষ্ট্র কাদের অস্ত্র নেবে এটা তাদের সিদ্ধান্ত।