• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৮ রাত

জিপি ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগ অনুমোদন করেছে সরকার

  • প্রকাশিত ১০:২৩ রাত অক্টোবর ১৭, ২০১৯
বিটিআরসি

বৃহস্পতিবার ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন

বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন (জিপি) ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন বলে ইউএনবি'র একটি খবরে বলা হয়।

মন্ত্রী বলেন, "প্রশাসক বা রিসিভার নিয়োগের জন্য বিটিআরসি একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। সেটি আমরা আজ অনুমোদন দিয়েছি।"

কবে নাগাদ নিয়োগ দেয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে বিস্তারিত বিটিআরসি বলতে পারবে।"

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন যে গ্রামীণফোন ও রবির সাথে বিটিআরসির বকেয়া পাওনা নিয়ে যে বিরোধ চলছে তা আলোচনার মাধ্যমে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সমাধান করা হবে।

উল্লেখ্য, বিটিআরসির নিরীক্ষা অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের কাছে সরকারের পাওনা ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। যার মধ্যে ৪ হাজার ৮৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাবে এনবিআর। অন্যদিকে, রবির কাছে পাওনা রয়েছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এতে এনবিআরের অংশ ১৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নিরীক্ষা প্রতিবেদনকে ভুল দাবি করে বিটিআরসির বিরুদ্ধে গ্রামীণফোন ও রবি ঢাকার দেওয়ানি আদালতে যথাক্রমে ২৬ ও ২৫ আগস্ট মামলা করে। বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করায় গ্রামীণফোন ও রবির টু-জি ও থ্রি-জি লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে ৫ সেপ্টেম্বর কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিটিআরসি।

এর আগে সংস্থাটি অপারেটর দুটিকে নতুন এনওসি (অনাপত্তিপত্র) দেয়া বন্ধ করে দেয়। তবে পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে তারা।

এদিকে, গ্রামীণফোনের কাছ থেকে পাওনা আদায়ের ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে গ্রামীণফোনের করা এক আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ কে এম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ দেয়। সেই সাথে আদালত আগামী ৫ নভেম্বর আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছে।