• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার ভূমি অফিসের কর্মকর্তা

  • প্রকাশিত ০৮:০২ রাত অক্টোবর ২০, ২০১৯
দুর্নীতিবিরোধী অভিযান
বগুড়ায় দুদকের পাতা ফাঁদে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছেন গাবতলী উপজেলার নাড়য়ামালা ইউনিয়ন ভুমি উপ সহকারি কর্মকর্তা আবদুল হান্নান। ঢাকা ট্রিবিউন

১৪৩ টাকা খাজনা পরিশোধের রশিদ দেওয়ার জন্য ১৩ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন তিনি

বগুড়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাতা ফাঁদে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছেন গাবতলী উপজেলার নাড়ুয়ামালা ইউনিয়ন ভুমি উপ সহকারি কর্মকর্তা (তহশিলদার) আবদুল হান্নান (৪৫)।

রবিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম তাকে ঘুষের ১৩ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।

বগুড়া দুদকের সহকারী পরিচালক জানান, গাবতলী উপজেলার জয়ভোগা গ্রামের মতিউর রহমান মানিক তার পৈতৃক ১৩ শতক জমির খাজনা (ভুমিকর) দিতে সম্প্রতি নাড়ুয়ামালা ভূমি অফিসে যান। তখন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আবদুল হান্নান হিসাব করে জানান, মতিউরকে খাজনা বাবদ ১৪৩ টাকা দিতে হবে। কিন্তু এই টাকা পরিশোধ হিসেবে দেখানোর জন্য তাকে ১৩ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে।

নিরুপায় হয়ে দুদকের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন মতিউর রহমান। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত আবদুল হান্নানকে হাতেনাতে ধরার জন্য রবিবার দুপুরে ফাঁদ পাতেন দুদক কর্মকর্তারা। পরে ওই কর্মকর্তার সাথে দেখা করে মতিউর তাকে ঘুষের ১৩ হাজার টাকা এবং খাজনার ১৪৩ টাকা দেন। এসময় ঘুষের টাকা পকেটে রেখে মতিউরকে ১৪৩ টাকার রশিদ ধরিয়ে দিলে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে দুদক।

বগুড়া দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, "আমি বাদী হয়ে দুদক কার্যালয়ে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করবো। এরপর তাকে গাবতলী থানায় সোপর্দ করা হবে।"

এদিকে, গাবতলী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) সালমা আকতার জানান, "অফিসের পিয়নদের কাছ থেকে স্বাক্ষ্য নিয়ে আবদুল হান্নানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হবে।"