• বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৩ বিকেল

প্রধানমন্ত্রী: ভোলার ঘটনায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  • প্রকাশিত ১০:২৯ রাত অক্টোবর ২০, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
রবিবার প্রধানমন্ত্রী নিজের সরকারি বাসভবন গণভবনে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে বৈঠকে সূচনা বক্তব্য রাখছেন। ফোকাস বাংলা

'দেখা যাচ্ছে সব জায়গায় ফেসবুকে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য। এটা কারা? এদের উদ্দেশ্য কী?'

ভোলার ঘটনায় যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রবিবার (২০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী নিজের সরকারি বাসভবন গণভবনে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে এক বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি এ ব্যাপারে দেশবাসীকে বলব ধৈর্য ধরতে। আর যারা এঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাদের খুঁজে বের করা এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।"

শেখ হাসিনা আরও বলেন, "অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য একদল মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন জঘন্য কাজ করছে। চর বোরহানউদ্দিনে এক হিন্দু ছেলের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে সেখানে কতগুলো মিথ্যাচার করা হয়েছে। এঘটনায় ছেলেটি থানায় জিডি করে এবং পুলিশ আইডি হ্যাককারীকে গ্রেপ্তারও করে।"

"এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। হিন্দু ছেলেটির নাম করে যে কথাগুলো লিখেছে সে তো মুসলমান ছেলে। তো একজন মুসলমান হয়ে সে কীভাবে নবী করিম (স.) এর প্রতি বাজে কথা লিখে আরেকজনকে জড়ানোর চেষ্টা করতে পারে?", প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, "বিক্ষোভকারীদের যারা বুঝাতে গিয়েছিলেন তাদের রক্ষার জন্য পুলিশ গুলি ছুড়েছিল। আইডি হ্যাক, তাতে বাজে কথা লেখা ও সেটাকে কেন্দ্র করে যারা সমবেত হয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করল তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল সেটা দেখা দরকার।"

"দেখা যাচ্ছে সব জায়গায় ফেসবুকে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য। এটা কারা? এদের উদ্দেশ্য কী?", যোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী 'ফেসবুক পোস্ট' দেওয়া এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে রবিবার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিক্ষোভ করা জনতার সাথে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও শতাধিক মানুষ হন।