• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

সংঘর্ষের পর ভোলায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

  • প্রকাশিত ১২:২৬ দুপুর অক্টোবর ২১, ২০১৯
বিজিবি
সংঘর্ষের পর ভোলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিপুল সংখ্যক র‍্যাব ও পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। ইউএনবি

জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলচল বন্ধ রেখেছে মালিকরা

‘ফেসবুক পোস্টকে’ কেন্দ্র করে ভোলায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে চারজন নিহতের ঘটনায় জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সবধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে এই নির্দেশ জারি করা হয় বলে জানিয়েছেন ভোলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা স্কুল মাঠে কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিপুল সংখ্যক র‍্যাব ও পুলিশ অবস্থান নিয়েছে।

এছাড়া, ভোর থেকেই জেলা শহরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব) ও পুলিশ টহল অব্যাহত রয়েছে।

ডিসি মাসুদ আলম সিদ্দিক বলেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।"

প্রসঙ্গত, রবিবারের সংঘর্ষের ঘটনার পরের দিন আজ (সোমবার) জেলা স্কুল মাঠে ‘সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয় ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ।

সংগঠনটির ভোলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান জানান, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাবেশটি করার কথা ছিল তাদের। নিষেধাজ্ঞার কারণে এই কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। তবে, সমাবেশ না করলেও ‘সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদ’ নেতৃবৃন্দ ভোলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, ‘নিরাপত্তার জন্য’ ভোর থেকে জেলার অভ্যন্তরীণ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে বাস মালিক সমিতি। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাস মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম।