• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১৯ রাত

গৃহবধুকে ধর্ষণের পর হত্যা: সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশিত ০৪:১২ বিকেল অক্টোবর ২২, ২০১৯
আদালত
প্রতীকী ছবি

দীর্ঘ শুনানির পর বিচারক মামলার সব আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দেওড়া উপজেলায় গৃহবধু আরতি রাণীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে দুই আসামিকে পাঁচ লাখ এবং পাঁচ জনকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে এ রায় দেন জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড.এ.বি.এম মাহমুদুল হক।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর রাতে বাড়ি থেকে আরতী রাণীকে উপজেলার দেওড়া আশ্রয়ন কেন্দ্রে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর পালিয়ে যায় আসামিরা। মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ওই নারী। ঘটনার এক দিন পরে (১০ অক্টোবর) আরতী রাণীর স্বামী উজ্জল মহন্ত বাদী হয়ে সাত জনকে আসামি করে আক্কেলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। 

তিন বছর পর মঙ্গলবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। দণ্ডিতরা হলো- আক্কেলপুর উপজেলার মারমা গ্রামের সোহেল তালুকদার, দেওড়া সোনারপাড়া গ্রামের আফজাল হোসেন, দেওড়া গুচ্ছগ্রামের রাহিন, দেওড়া সাখিদার পাড়ার ফেরদৌস আলী, দেওড়া সোনারপাড়ার মজিবর রহমান, জগতি গ্রামের রুহুল আমীন ও দেওড়া গুচ্ছগ্রামের আজিজার রহমান। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ শুনানির পর জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সব আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একইসঙ্গে সোহেল ও ফেরদৌসকে পাঁচ লাখ ও অন্যদের এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন।

সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী ফিরোজা চৌধুরী এবং আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান ও রফিকুল ইসলাম সহ ৫ জন।