• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৭ রাত

সাত দিনের রিমান্ডে যুবলীগ নেতা খালেদ

  • প্রকাশিত ০৪:৪৯ বিকেল অক্টোবর ২৩, ২০১৯
খালেদ মাহমুদ
গত ২৭ সেপ্টেম্বর সাবেক যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়। ফাইল ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বুধবার (২৩ অক্টোবর) পাঁচ বছর আগের এক মামলায় তাকে সাত দিনের রিমান্ড দেন আদালত

যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম এই আদেশ দেন। বাবা ও ছেলেকে হত্যার ঘটনায় পাঁচ বছর আগে দায়ের করা এক মামলায় রায় হয় এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বলে বাংলা ট্রিবিউন।

বুধবার খালেদকে আদালতে হাজির করে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা ইসরাইল হোসেন ও তার ছেলে সায়মন ২০১৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ‘রাজধানী মানি এক্সচেঞ্জ’ থেকে ৩৮ লাখ টাকা তোলেন। গাড়িতে করে তারা ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে খিলগাঁও এলাকায় পৌঁছালে তিন-চার জন ছিনতাইকারী তাদের গাড়িটি ঘিরে ফেলে। এরপর বাবা ও ছেলেকে গুলি করে টাকার দুটি ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

এসময় গুলিবিদ্ধ বাবা ও ছেলেকে স্থানীয় খিদমাহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ছেলে সায়মন মারা যান। আর বাবা ইসরাইলকে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি সেখানে মারা যান।

এ ঘটনায় সায়মনের চাচা মজিবুর রহমান ২০১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় ২০১৬ সালে ডিবি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তবে আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে স্বপ্রণোদিত হয়ে পিবিআইকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআইয়ের তদন্ত চলাকালেই খালেদকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডের দেওয়া হলো।

উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে খালেদকে আটক করে র‌্যাব। তার বাসা থেকে একটি অবৈধ অস্ত্র, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করায় আরও দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক রাউন্ড গুলি ও চারশ’ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এছাড়া, তার বাসার ওয়াল শোকেস থেকে নগদ ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা জব্দ করে র‌্যাব।