• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩১ রাত

৫ দিন পর গুলিতে নিহত বাংলাদেশির লাশ ফেরত দিল বিএসএফ

  • প্রকাশিত ০৬:৩৭ সন্ধ্যা অক্টোবর ২৪, ২০১৯
বাংলাদেশি নিহত
৫ দিন পর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবকের লাশ ফেরত দেয় বিএসএফ। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

শ্রীকান্তের বাবা খেলু রাম বলেন, আজ লাশ ফেরত দিবে, কাল দিবে এমন করে গত সোমবার থেকে সীমান্তে আমাদের দাঁড় করিয়ে রেখেছে ভারতের খোচাবাড়ী ক্যাম্পের বিএসএফ

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার কান্দাল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত যুবকের লাশ ৫ দিন পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর দেড়টা দিকে ভারতের খোচাবাড়ী ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা এ লাশ হস্তান্তর করে। এর আগে সকালবেলা দু-দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ এর পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের সময় বিএসএফ এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক শ্রীকান্ত রায় (৩০) হরিপুর উপজেলার আমগাঁও কালচা গ্রামের খেলু রামের ছেলে। 

শ্রীকান্তের বাবা খেলু রাম বলেন, গত সোমবার থেকে লাশ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আজ লাশ ফেরত দিবে, কাল দিবে এমন করে গত সোমবার থেকে সীমান্তে আমাদের দাঁড় করিয়ে রেখেছে ভারতের খোচাবাড়ী ক্যাম্পের বিএসএফ। আমরা সবাই আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। মনে করেছিলাম লাশ ফেরত দিবে না। অবশেষে ছেলের লাশ পেলাম।

কান্দাল ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা জানান, গত সোমবার থেকে লাশ ফেরতের জন্য বিএসএফ সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে চলেছি। অবশেষে আজ সকালে আমাদের পত্রে সাড়া দিলে উভয় দেশের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। পরে তারা নিহত যুবকের লাশ ফেরত দেয়।

লাশ ফেরতের সময় হরিপুর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুস সবুর, কান্দাল ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ও নিহত যুবকের পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত রবিবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যার সময় ভারতের পাঞ্জাবে ইট ভাটায় কাজ করার উদ্দেশে অবৈধ পথে কান্দাল সীমান্ত দিয়ে ভারতের খোচাবাড়ী ক্যাম্পের কাছে পৌঁছালে বিএসএফ তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন শ্রীকান্ত। সারারাত সীমান্তে পড়েছিল নিহত শ্রীকান্তের লাশ। মঙ্গলবার সকালে খোচাবাড়ী সীমান্তের বিএসএফ সদস্যরা লাশ তুলে নিয়ে যায়। 

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএনএম সামীউন্নবী চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।