• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৭ দুপুর

ভোলায় ১০ ঘন্টা পর যান চলাচল শুরু

  • প্রকাশিত ০৬:৪৬ সন্ধ্যা অক্টোবর ২৫, ২০১৯
ভোলা সদর
ভোলা সদরে টহলরত পুলিশ সদস্য। ছবি: ইউএনবি

এদিকে, আজ ভোলা শহর থেকে তিন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ১০ ঘণ্টা বন্ধের পর ভোলার অভ্যন্তরীণ সকল রুটের যাত্রীবাহী বাস ও ভোলা-বরিশাল রুটের লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। লঞ্চ চলাচল শুরু হয় দুপুর ৩টায় এবং বাস চলাচল শুরু হয় বিকেল ৫টা থেকে। 

গত রবিবার (২০ অক্টোবর) ভোলার বোরহানউদ্দিনে পুলিশের সঙ্গে সংর্ঘষ ও গুলিতে নিহত ৪ জনের স্মরণে শুক্রবার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের দোয়া মাহফিলের আয়োজনের কথা ছিল। তবে প্রশাসনের অনুমতি না মেলায় বৃহষ্পতিবার রাতে সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ সেটি স্থগিত ঘোষণা করে। অপর দিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঘোষিত কর্মসূচি- দেশ ব্যাপী বিক্ষোভ মিছিলটিও ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়নি। 

এদিকে, আজ ভোলা শহর থেকে তিন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের বাড়ি ভোলার দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন ও মনপুরা উপজেলায়। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নির্দোষ প্রমানিত হলে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, দোয়া মাহফিলের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভোলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কঠোর নিরপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ছিল। শহরে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড যৌথভাবে টহল দেয়। ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মোতায়ন ছিল আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য । 

ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, শুক্রবার সরকারি স্কুল মাঠে একটি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল সেটির অনুমতি পায়নি। এ বিষয়টি নিয়ে কিছুটা জনশ্রুতি ও উত্তেজনা রয়েছে। যার কারণে আমরা পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। আমাদের পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্যরাও আমাদের সাথে যুক্ত রয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় ভোলার পরিস্থিতি একেবারে শান্ত রয়েছে।

ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, সকাল থেকে যাত্রীবাহী বাস ও লঞ্চ বন্ধ থাকলেও দুপুরের পর থেকে সেগুলো স্বাভাবিক করা হয়েছে।