• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

ইজিবাইকের প্রলোভন দেখিয়ে রিকশাচালকদের সঙ্গে প্রতারণা!

  • প্রকাশিত ০৬:০৮ সন্ধ্যা অক্টোবর ২৮, ২০১৯
খুলনা প্রতারণা
রিকশাচালকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে খুলনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঢাকা ট্রিবিউন

জামানত চেক নিয়ে এক ভুক্তভোগী ব্যাংকে গেলে চেকটিকে জাল হিসেবে সনাক্ত করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ

দরিদ্র রিকশাচালকদেরকে অপেক্ষাকৃত কম দামে ইজিবাইক দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করে আসছিল খুলনার একটি চক্র। এস কে ট্রেডিং কর্পোরেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে কয়েকজন রিকশাচালকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে দেড় লাখ টাকা এবং দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি ব্যাংকের জাল চেক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯ হাজার ৫শ' টাকার বিনিময়ে ইজিবাইক দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে রিকশাচালকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে শুরু করে অভিযুক্ত চক্রটি। টাকার বিনিময়ে পাওয়া জামানত চেক নিয়ে এক ভুক্তভোগী ব্যাংকে গেলে চেকটিকে জাল হিসেবে সনাক্ত করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ পেয়ে সোমবার (২৮ অক্টোবর) পুলিশ প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. শাকিল আহমেদকে (২৯) গ্রেফতার ও একই নম্বর সম্বলিত চেক বইয়ের ১২০টি পাতা জব্দ করে।

নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক ঢাকা ট্রিবিউন’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

ওসি জানান, মাসখানেক আগে মহানগরীর বসুপাড়ার ডলফিন ভিডিও মোড় এলাকায় এস কে ট্রেডিং কর্পোরেশন নামে প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করে। এপর্যন্ত তারা কমপক্ষে ফরম বাবদ ৫শ' রিকশাচালকের কাছ জনপ্রতি ১০০ টাকা করে নিয়েছে। আর পাঁচজনের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৫শ' টাকা করে মোট ৯৭ হাজার ৫শ' টাকা নিয়ে একই নম্বরযুক্ত ব্যাংক চেক দিয়েছে। 

এঘটনার অন্যতম ভুক্তভোগী রিকশাচালক আজহারুল ইসলাম তাকে দেওয়া জামানত চেকটি (সিএ সিডিবি ০৪৭১৫৬৩) নিয়ে ওই বেসরকারি ব্যাংকের খুলনা শাখায় যাচাই করতে গেলে প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে। 

ব্যাংক থেকে তাকে জানানো হয়, চেকের পাতায় উল্লেখ করা অ্যাকাউন্ট নম্বর (০০৫৯১১১০০১৬৭৬) ও চেক নম্বর (সিএ সিডিবি ০৪৭১৫৬৩) ভুয়া। এরপর আজহারুল সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এরপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্ত শাকিল আহমেদকে আটক করে। তার অফিস থেকে জব্দ করা হয় অফিসে এক নম্বর যুক্ত ১২০টি পাতা। প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে জেল-হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।