• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৬ রাত

বিএসএমএমইউ: খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়নি

  • প্রকাশিত ০৬:১৯ সন্ধ্যা অক্টোবর ২৮, ২০১৯
সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তির পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন হাসপাতালটির পরিচালক
বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক জানান, ‘খালেদা জিয়া সবসময় দেখা করার জন্য দুপুর ২টার পরে অনুমতি দেন। চিকিৎসকরা অনেকসময় বিকাল ৪টা পর্যন্ত বসে থেকেও তারসঙ্গে দেখা করতে পারেননি’

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং গত সাতমাসে তার স্বাস্থ্যের কোনও অবনতি ঘটেনি বলে দাবি করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক।

সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বিএসএমএমইউ মিল্টন হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন। এক প্রতিবেদনে এখবর জানায় বাংলা ট্রিবিউন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক বলেন, “খালেদা জিয়া আমাদের হাসপাতালে গত সাতমাস যাবৎ চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন তো আছেই। একটি শক্তিশালী মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে প্রতিনিয়ত তার চিকিৎসা চলছে। বোর্ডের চিকিৎসকরা প্রতিদিন তার ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিসসহ নানাধরনের পরীক্ষা করে আসছেন।”

তিনি আরও জানান, “খালেদা জিয়ার অনুমতি ছাড়া কখনও চিকিৎসকরা তারসঙ্গে দেখা করতে পারেন না। আমাদের হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী, ভিজিটিং সময় সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত হলেও তিনি সবসময় দেখা করার জন্য দুপুর ২টার পরে অনুমতি দেন। চিকিৎসকরা সেখানে গিয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বসে থেকেও তারসঙ্গে দেখা করতে পারেননি।”

বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক বলেন, “খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের কারণে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। আপনাদের বলতে চাই, সাত মাস যাবৎ তিনি এখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এসময়ের মধ্যে তার স্বাস্থ্যের কোনও অবনতি হয়নি।”

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত চিকিৎসা বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক শাহানাজ আক্তার বলেন, “খালেদা জিয়া গত এপ্রিলে হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন তিনি হাঁটতে পারতেন না। এখনও তিনি হাঁটতে পারেন না। তবে অন্যের সহযোগিতায় তিনি হাঁটতে পারেন। তার চিকিৎসার বিষয়ে আমরা প্রতিনিয়ত কাউন্সিলিং করে আসছি। কাউন্সিলিং ছাড়া কোনও রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়। চিকিৎসার বিষয়ে রোগীর আন্তরিকতার প্রয়োজন রয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসা বোর্ডের অন্য চিকিৎসকরাও উপস্থিত ছিলেন।